বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > অকথ্য অত্যাচারের জেরেই গুলি, জানালেন বিএসএফ জওয়ান
বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধরের রাইফেলের গুলিতে মারা গিয়েছেন বিএসএফের ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি ও কনস্টেবল অনুজ কুমার। (প্রতীকী ছবি)
বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধরের রাইফেলের গুলিতে মারা গিয়েছেন বিএসএফের ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি ও কনস্টেবল অনুজ কুমার। (প্রতীকী ছবি)

অকথ্য অত্যাচারের জেরেই গুলি, জানালেন বিএসএফ জওয়ান

  • বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধরের রাইফেলের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান বিএসএফের ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি (‌৫৭)‌ ও কনস্টেবল অনুজ কুমার (‌৩৩)‌।

দিনের পর দিন সহ্য করতে করতে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যায়। মঙ্গলবার রায়গঞ্জের ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে প্রহরারত বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধরের রাইফেলের গুলিতে তাই ঝাঁঝরা হয়ে যান বিএসএফের ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি (‌৫৭)‌ ও কনস্টেবল অনুজ কুমার (‌৩৩)‌।

বুধবার রায়গঞ্জ থানা থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত উত্তম সূত্রধর জানান, লাগাতার অত্যাচার করতেন বাহিনীর আধিকারিকরা। কখনও জওয়ানের হাত থেকে খাবার ছিনিয়ে নেওয়া হত। বাড়িতে ফোন করতে চাইলে, অন্যায় ভাবে তার অনুমতি দিতেন না আধিকারিকরা। বিএসএফ জওয়ানদের ওপর এ ভাবেই চলত মানসিক অত্যাচার। 

বিএসএফের ১৪৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নে কর্মরত উত্তমের বাড়ি ত্রিপুরায়। মঙ্গলবার ভোররাতে রায়গঞ্জের ভাটালোর মালদখণ্ড সীমান্ত পরিদর্শনে যান মহিন্দর। সঙ্গে ছিলেন অনুজ কুমার। তখন মহিন্দরের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় উত্তমের। 

জানা গিয়েছে, এর পরই প্রথমে নিজের স্বয়ংক্রিয় ইনসাস রাইফেল থেকে এবং পরে অনুজ কুমারের রাইফেল কেড়ে নিয়ে নির্বিচারে গুলি চালান উত্তম। হত্যালীলা চালানোর পর নিজেই সীমান্ত চৌকির কমান্ডারের কাছে গিয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। কমান্ডার রায়গঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তাঁকে তুলে দেন। 

ধৃত বিএসএফ জওয়ানের ৮ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে বুধবার আদালতের কাছে আবেদন জানায় পুলিশ। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

বন্ধ করুন