বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > দীপাবলির আগে জোর ধরপাকড় করল বর্ধমানের পুলিশ, উদ্ধার ৪০ কেজি‌ শব্দবাজি
৪০ কেজি শব্দবাজি উদ্বার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।
৪০ কেজি শব্দবাজি উদ্বার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।

দীপাবলির আগে জোর ধরপাকড় করল বর্ধমানের পুলিশ, উদ্ধার ৪০ কেজি‌ শব্দবাজি

  • এখনও চলছে করোনাভাইরাসের দাপট। তবে এখন শুধু শব্দবাজির উপর নজরদারি শুরু করেছেন সদর থানার পুলিশ।

কালীপূজোর প্রাক্কালে নিষিদ্ধ শব্দ বাজির বিরুদ্ধে অভিযান চালাল বর্ধমান থানার পুলিশ। বর্ধমান শহরের তেঁতুলতলা বাজার–সহ শহরের বিভিন্ন জায়গার সমস্ত বাজির দোকানে অভিযান চালায় পুলিশ। দোকানের চিরুণী তল্লাশি করা হয়। শব্দবাজি বিক্রি করেন না বলে জানিয়েছেন তেঁতুলতলা বাজার এলাকার বাজি বিক্রেতারা। এইদিন তবে শনিবার রাতেই বর্ধমানের ভাতছালা এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে ৪০ কেজি শব্দবাজি উদ্বার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। চায়ের দোকানের মালিক জয়দেব বিশ্বাসকে গ্ৰেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

এই তল্লাশি অভিযানে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বায়ুদূষণ রুখতে ২০২০ সাল থেকে আতসবাজি বিক্রি ও পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছিল। এখনও চলছে করোনাভাইরাসের দাপট। তবে এখন শুধু শব্দবাজির উপর নজরদারি শুরু করেছেন সদর থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল এই এলাকায় শব্দবাজি মজুত করা হচ্ছে। তাই তেঁতুলতলা বাজার এলাকায় তল্লাশি করা হয়। কিছু জায়গায় শব্দবাজি মিলেছে। দোকানে ফুলঝুরি, রং মশাল, চরকি ছাড়া অন্য কোনও বাজি অনেকেই রাখেননি। তবে যারা শব্দবাজি রেখেছিল তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আর তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

বর্ধমানের তেঁতুলতলা বাজার এলাকায় এখনও প্রচুর পরিমাণে আতশবাজি বিক্রি হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা এখানে বাজি কিনতে আসেন। বিক্রেতাদের অনেকেই লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি অর্ডার দিয়েছেন। পুলিশি অভিযানের জেরে সমস্যায় পড়েছেন তারা। জেলার অনেক এলাকাতেই লুকিয়ে চুরিয়ে শব্দবাজি বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠছে।

বন্ধ করুন