বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বন্ধ বারুইপুর - কলকাতার সমস্ত রুটের বাস, নাজেহাল দশা যাত্রীদের
বন্ধ বাস, গন্তব্যে পৌঁছতে তাই পণ্যবাহী লরিতে চেপে বসেছে সাধারণ মানুষ
বন্ধ বাস, গন্তব্যে পৌঁছতে তাই পণ্যবাহী লরিতে চেপে বসেছে সাধারণ মানুষ

বন্ধ বারুইপুর - কলকাতার সমস্ত রুটের বাস, নাজেহাল দশা যাত্রীদের

  • বাসমালিকদের দাবি স্থায়ী সমাধান। যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি না করলে বাস চালানো সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তাঁরা। বাস মালিকদের কথায়, সরকার দিনে ৫০০ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।

সরকার বাসভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তে সাড়া না দেওয়ায় বাস পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন মালিকরা। ফলে বন্ধ বারুইপুর বারাসাত – বারুইপুর, বারুইপুর - বাবুঘাট রুটের বাস। বাস বন্ধ হওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে নিত্যযাত্রীরা।

একে ট্রেন বন্ধ। ফলে কলকাতায় যাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা বাস। শুধু বারুইপুর নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, বাসন্তী, গোসাবা, জয়নগর, কুলতলি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ এই বারুইপুর-বারাসাত, বারুইপুর-বাবুঘাট ২১৮ নম্বর রুটের বাসের উপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন নিজের নিজের কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য এই রুটের বাসের উপরেই ভরসা করেন বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। কিন্তু ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বাসমালিকরা। তাই রাজ্য সরকার মাসে বাসপিছু পনেরো হাজার টাকা ভর্তুকি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও বাস চালাতে রাজি হচ্ছেন না বাস মালিকরা। 

বাসমালিকদের দাবি স্থায়ী সমাধান। যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি না করলে বাস চালানো সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তাঁরা। বাস মালিকদের কথায়, সরকার দিনে ৫০০ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। ওই টাকা রাস্তায় ফাইন দিতে আর ডিজেলের বাড়তি দাম চোকাতেই খরচ হয়ে যাবে।  তাই ভাড়াবৃদ্ধি ছাড়া উপায় নেই। সেই কারনেই আপাতত বাস চালানো বন্ধ রেখেছেন তারা। 

বাস বন্ধ হওয়ায় নাজেহাল হতে হয়েছে সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীদের। বাস না পেয়ে কেউ একের পর এক অটো পাল্টে নিজেদের গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ সরকারি যে দু-একটি বাস চলছে সেই বাসে বাদুড়ঝোলা হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ বা উঠে পড়েছেন লরিতে। 

 

বন্ধ করুন