বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সাধের অনুষ্ঠান ঘিরে বচসা স্কুলে, তলব রিপোর্ট
শ্রীরামপুরের মাহেশ পরমেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়ের সেই ঘটনায় এবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে রিপোর্ট তলব করল স্কুলশিক্ষা দফতর।
শ্রীরামপুরের মাহেশ পরমেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়ের সেই ঘটনায় এবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে রিপোর্ট তলব করল স্কুলশিক্ষা দফতর।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সাধের অনুষ্ঠান ঘিরে বচসা স্কুলে, তলব রিপোর্ট

  • পরীক্ষা চলাকালীন সাধের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বচসা। বচসার জেরে অসুস্থ প্রধান শিক্ষিকা! শ্রীরামপুরের মাহেশ পরমেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় এবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে রিপোর্ট তলব করল স্কুলশিক্ষা দফতর।

কয়েকদিন আগেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের ভিতরে সাধের অনুষ্ঠান ঘিরে তুমুল হট্টগোল হয় হুগলিতে। শ্রীরামপুরের মাহেশ পরমেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়ের সেই ঘটনায় এবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে রিপোর্ট তলব করল স্কুলশিক্ষা দফতর। এদিকে সাধ খাওয়ানো ঘিরে স্কুলের কয়েকজন শিক্ষিকা অফিসে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে বচসায় জড়ান। এতে প্রধান শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এই আবহে পরমেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে হলা হয়েছে যে, একজনের বেশি প্রধান শিক্ষিকার ঘরে ঢোকা যাবে না।

জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহের বুধবার স্কুলের এক অন্তসত্ত্বা শিক্ষিকাকে সাধ খাওয়ানোর আয়োজন করেন কয়েকজন শিক্ষিকা। এবার নিজেদের পছন্দের শিক্ষিকাদেরই সেই অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছিল। এদিকে যেদিন এই অনুষ্ঠান হয়, সেদিন উচ্চ মাধ্যমিকের দর্শন, সমাজতত্ত্ব ও বাণিজ্যিক আইনের পরীক্ষা চলছিল। তবে পরীক্ষা চলাকালীনই শাঁখ বাজিয়ে, উলু দিয়ে অনুষ্ঠান চলে। সেই খবর ভাইরাল হয়ে যায় রীতিমতো। এদিকে এই অনুষ্ঠানে স্কুলের বাকি শিক্ষিকাদের কেন ডাকা হয়নি, এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন উপেক্ষিত শিক্ষিকারা।

সাধের অনুষ্ঠানের পরদিন প্রধান শিক্ষিকার ঘরে গিয়ে চেঁচামেচি করেন সাধের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়া শিক্ষিকারা। এদিকে পালটা চিৎকার করেন সাধের অনুষ্ঠান আয়োজন করা শিক্ষিকারাও। এই চেঁচামেচির মাঝে প্রধান শিক্ষিকা মিঠু মৈত্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই সময় ঘটনার খবর পাঠানো হয় স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলর তিয়াসা মুখোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, এর আগেও একজন শিক্ষিকাকে আইবুড়ো ভাত খওয়ানো নিয়ে গন্ডোগোল হয়েছিল এই স্কুলে। সেই কথা জানান প্রধান শিক্ষিকা নিজেই। এই আবহে স্কুল পরিদর্শকের কাছে স্কুল সম্পর্কে রিপোর্ট তলব দফতরের।

বন্ধ করুন