বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > PM Awas Yojana: আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ। প্রতীকী ছবি (PMAY)

PM Awas Yojana: আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে

  • কাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুরের আজিমপুর গ্রামের বাসিন্দা দ্রৌপদী বসাক। তার এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাদের মাটির বাড়ি রয়েছে। তবে বাড়ির অবস্থা থাকায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। 

সরকারি প্রকল্পে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়ার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সে ক্ষেত্রে সাধারণত পঞ্চায়েত প্রধান বা পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ উঠেছে মালদার ইংরেজবাজার থানার কাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই পরিবার। সেক্ষেত্রে পঞ্চায়েত প্রধানও জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে ওই পরিবার।

কাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুরের আজিমপুর গ্রামের বাসিন্দা দ্রৌপদী বসাক। তার এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাদের মাটির বাড়ি রয়েছে। তবে বাড়ির অবস্থা থাকায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। সেই মতোই তাদের আবেদন খতিয়ে দেখতে পঞ্চায়েত থেকে দুই কর্মী গিয়েছিলেন। অভিযোগ ওই দুই কর্মী আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা করে তাদের কাছে চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে ওই টাকা না দিলে তাদের বাড়ি দেওয়া হবে না। কিন্তু দ্রৌপদীদেবী সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলে দুদিন পর আবার ওই দুই কর্মী তার বাড়িতে যায়। তবে দ্রৌপদী দেবী না থাকায় তার মেয়েকে একটি পাকা বাড়ির সামনে দাঁড় করিয়ে ওই দুই কর্মী ছবি তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।

শেষে তিনি ঘর পাননি অভিযোগে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানে সুরাহা না মেলায় তিনি ছেলেকে নিয়ে জেলা শাসকের কাছে অভিযোগ করেন। তাদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত কর্মীদের কারণেই তারা ঘর পাননি। যদিও পঞ্চায়েত প্রধান সত্য চৌধুরী এই অভিযোগ মানতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। নথিপত্র ঠিকঠাক থাকলে তারা অবশ্যই ঘর পাবেন। অন্যদিকে উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পঞ্চায়েত এলাকাতেই কাটমানি নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে চলছে। এটাই হল তৃণমূলের সংস্কৃতি। যারা কাটমানি চাইছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বন্ধ করুন