বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > এক ফ্ল্যাটে করোনা আক্রান্ত হলে পুরো আবাসন কনটেনমেন্ট জোন নয়, নয়া নীতির পথে বাংলা
কনটেনমেন্ট জোন নীতিতে বদল আনার পথে রাজ্য (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
কনটেনমেন্ট জোন নীতিতে বদল আনার পথে রাজ্য (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

এক ফ্ল্যাটে করোনা আক্রান্ত হলে পুরো আবাসন কনটেনমেন্ট জোন নয়, নয়া নীতির পথে বাংলা

  • মানুষের ভয়ে ভীতি কমানোর জন্য নয়া নীতির পথে রাজ্য হাঁটতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।

করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। নতুন জায়গা থেকেও আক্রান্তের হদিশ মিলছে। ফলে বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যাও। এই অবস্থায় কনটেনমেন্ট নীতিতে বদল আনতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে নয়া রূপরেখা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু আবার কনটেনমেন্ট নীতি পালটাচ্ছে কেন নবান্ন? স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, আপাতত কোনও পাড়া থেকে এক-দু'জন আক্রান্ত হলে পুরো পাড়াকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে। ফলে আমজনতার মনে ভয় তৈরি হচ্ছে। অযথা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন তাঁরা। তা রুখতে কনটেনমেন্ট নীতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। 

কীরকম হতে চলেছে সেই নীতি? সূত্রের খবর, কোনও আবাসনের একটি ফ্ল্যাটে করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গেলে পুরো আবাসনটিকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হবে না। শুধুমাত্র যে ফ্ল্যাটের বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, সেই ফ্ল্যাটটিকে কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় রাখা হবে। একাধিক ফ্ল্য়াটে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিললে তবেই সংশ্লিষ্ট আবাসনটিকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

বাড়ির ক্ষেত্রেও একই নীতি নেওয়া হয়েছে। একটি বাড়িতে করোনা আক্রান্ত হলে পুরো এলাকা কনটেনমেন্ট জোন হবে না। একইসঙ্গে কমপক্ষে পাঁচটি বাড়ি নিয়ে কনটেনমেন্ট জোন হবে। পাশাপাশি, বাড়তি নজর দেওয়া বস্তি এবং ঘনজনবসতির এলাকার ক্ষেত্রে। সেখানে একই শৌচাগার অনেকে ব্যবহার করে থাকেন। তাই করোনার সংক্রমণ রুখতে শৌচাগারের উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোরও ব্যবস্থা করা হবে।

বন্ধ করুন