অফিসে ফিরে এল সাবেক হাজিরা খাতা।(ফাইল ছবি)
অফিসে ফিরে এল সাবেক হাজিরা খাতা।(ফাইল ছবি)

Coronavirus precaution: বায়োমেট্রিক নয়, সরকারি দফতরে ফিরল সাবেক হাজিরা খাতা

মঙ্গলবার থেকে জেলাশাসকের অধিকাংশ দফতরেই চালু হয়ে গিয়েছে খাতায় সই মারফত্ হাজিরার প্রক্রিয়া।

নোভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে বায়োমেট্রিক হাজিরা জাতীয় স্তরে আগেই স্থগিত হয়েছে। এবার সেই পথেই হাঁটল রাজ্য। সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের অফিসে সেই সুবাদেই ফিরে এল সাবেক হাজিরা খাতা।

মঙ্গলবার থেকে জেলাশাসকের অধিকাংশ দফতরেই চালু হয়ে গিয়েছে খাতায় সই মারফত্ হাজিরার প্রক্রিয়া। খাতায় সই করে দফতরে প্রবেশ করেছেন কর্মীরা। তার আগে, সোমবার সেই উদ্দেশে দফতরে দফতরে পৌঁছে গিয়েছিল হাজিরা খাতা।

তবে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন দফতরের কর্মীদের একাংশ। তাঁরা যথারীতি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা নথিভুক্ত করেন। তাঁদের যুক্তি, হাজিরা খাতায় সই করার বিষয়ে আগাম না জানার কারণেই বায়োমেট্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। বুধবার অবস্য সেই ভুল শুধরে নিয়েছেন বেশিরভাগ কর্মী।

জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলাশাসক ছাড়া মহকুমাশাসকের দফতর, পুরসভা, জেলা পরিষদ, ব্লক অফিসগুলিতেও হাজিরা খাতায় সই করে কর্মীদের উপস্থিতি নথিভুক্ত করা চালু হয়েছে।

এ ছাড়া, Covid-19 এর গ্রাস এড়াতে প্রতিটি দফতরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার আবশ্যিক করেছে জেলা প্রশাসন। কীটনাশক ব্যবহার করে জীবাণুমুক্ত রাখা হচ্ছে দফতরের অভ্যন্তর।

পশ্চিম মেদিনীপুরে হাজিরা খাতা ফিরলেও বায়োমেট্রিক প্রক্রি.য়াতেই দফতরে উপস্থিতি নথিবদ্ধ করছেন সংলগ্ন ঝাড়গ্রাম জেলার সরকারি কর্মীরা। তবে সেখানেও অচিরে হাজিরা খাতা ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।

বন্ধ করুন