রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে ৩ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে ৩ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে ৩, হাসপাতালের বিরুদ্ধে অসতর্কতার অভিযোগ নার্সদের

রবিবার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রবিরার হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন তিনি।

রিপোর্ট আসার আগেই মৃত্যু হয়েছিল মহিলার। পরে রিপোর্ট আসতে জানা যায়, তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ। এর ফলে, রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে দাঁড়াল তিন।

আরও পড়ুন : Covid-19: রান্নাঘরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে গিয়ে বিপত্তি, ঝলসে গেল মুখ, হাত

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গত ৬ মার্চ স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ডুয়ার্সে বেড়াতে গিয়েছিলেন মাঝবয়সি ওই মহিলা। ১৩ মার্চ দার্জিলিং মেলে হাওড়ায় ফিরেছিলেন। সেখান থেকে সালকিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন। প্রথমে কোনও উপসর্গ না থাকলেও গত বৃহস্পতিবার থেকে তাঁর জ্বর, প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল। মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন : COVID-19 Update: নিজামুদ্দিনের জমায়েতে গিয়ে মৃত ৬, অনেক প্রশ্ন, উত্তরের খোঁজে প্রশাসন

তারপরও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত রবিবার তাঁকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। তাঁর লালারসের নমুনা পাঠানো হয়েছিল এসএসকেএম হাসপাতালে। রিপোর্ট আসার আগেই সোমবার বিকেল নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। পরে রিপোর্ট এসে পৌঁছাতে দেখা যায়, মহিলা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন : Public Sector Bank Merger-আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য জানুন

ইতিমধ্যে মহিলার পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলা কীভাবে সংক্রমিত হলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহিলার সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার তৎপরতাও শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন : করোনা সংকট মোকাবিলায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে কুসংস্কার ও গুজব, দাবি নমোর

এদিকে, তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অসতর্কতার অভিযোগ তুলেছেন নার্সরা। তাঁদের দাবি, গত রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ওই মহিলাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। প্রথমে জেনারেল ওয়ার্ডে ছিলেন। পরে রাত সাড়ে ন'টায় সিসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। নার্সদের অভিযোগ, প্রথম থেকেই করোনার উপসর্গ থাকায় মহিলাকে আলাদা রাখার জন্য বারবার অনুরোধ জানান তাঁরা। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি কর্তৃপক্ষ। জেনারেল ওয়ার্ড ও সিসিইউ-তে অনেক রোগীর সঙ্গে তাঁকে রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবরণী বা পিপিই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শুধু মাস্ক ও গ্লাভস পরেই কাজ করতে রয়েছে বলে দাবি নার্সদের।

আরও পড়ুন : ৩১ মার্চ শেষ হচ্ছে অর্থবর্ষ, সাফ জানাল অর্থমন্ত্রক

বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু বলবেন না।

বন্ধ করুন