গত ১ এপ্রিল থেকে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন ওই প্রৌঢ় (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
গত ১ এপ্রিল থেকে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন ওই প্রৌঢ় (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

COVID-19 Updates: 'উপসর্গ ছাড়াই ভাইপো ও আমার রিপোর্ট পজিটিভ', জানালেন শেওড়াফুলির করোনা আক্রান্ত

  • গত ৫ এপ্রিল একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল ওই প্রৌঢ়ের দাদার।

চেনা কোনও উপসর্গ ছিল না। তা সত্ত্বেও করোনাভাইরাস রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল তাঁর ও ভাইপোর। এমনটাই জানালেন বেলেঘাটা আইডিতে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়।

আরও পড়ুন : COVID-19 Updates: হটস্পট দেশের ১৭০ জেলা, সম্ভাব্য হটস্পট রুখতে আরও ২০৭ জেলায় নজরদারি : কেন্দ্র

গত ৫ এপ্রিল একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর দাদার। তবে তাঁর দাদা কীভাবে সংক্রামিত হয়েছিলেন, তা নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছেন শেওড়াফুলির বাসিন্দা। তিনি বলেন, 'আমার দাদা ট্রেনে করে দুর্গাপুরে গিয়েছিলেন। ট্রেনে কারোর সংস্পর্শে এসেছিলেন হয়তো।'

আরও পড়ুন : Lockdown 2.0: যে তেরো কাজ করতে পারবেন না তেসরা মে পর্যন্ত..

প্রৌঢ় জানান, তাঁর দাদা একাধিক রোগে ভুগছিলেন। শ্বাসনালীর সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপ ছিল। প্রৌঢ় বলেন, 'আমার ও ভাইপোর কোনও উপসর্গ ছিল না। তা সত্ত্বেও দাদার সঙ্গে আমাদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল।' তারপর গত ১ এপ্রিল থেকে হাসপাতালে রয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন : COVID-19 Lockdown 2.0 : ছাড় ই-কমার্স সহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে, দেখুন তালিকা

মার্কেট এগজিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত প্রৌঢ় জানান, তাঁর জ্বর, হাঁচি ও কাশি হচ্ছে না। তা সত্ত্বেও আবারও লালারসের নমুনা পজিটিভ এসেছে। তাঁর কথায়, 'আমি নামমাত্র ওষুধে আছি। তারপরও আমরা লালারসের রিপোর্ট কেন পজিটিভ এল, ভাবছি।' তবে বেলেঘাটা আইডিতে ভরতি অনেক করোনা আক্রান্তের উপসর্গ খুব সামান্য। তাঁরা বিপন্মুক্ত। সেজন্য অবশ্য করোনাকে হালকাভাবে প্রশ্নই ওঠে না বলে জানান তিনি। বলেন, 'অনেক রোগীর সামান্য উপসর্গ থাকলেও হালকা নেওয়ার প্রশ্নই নেই। কারণ আচমকা শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। সোমবার রাতেও আমাদের হাসপাতালে একজন মারা গিয়েছেন। তাঁর অবস্থার অবনতি হয়েছিল। তাছাড়া উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (করোনার) বাহক হয়ে গেলেন।'

আরও পড়ুন : Lockdown 2.0: বিশে এপ্রিল থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় মিলতে পারে, জানাল কেন্দ্র

কিন্তু এতদিন হাসপাতালে কোনও অসুবিধা হয়েছে? প্রৌঢ় জানান, একমাত্র ভার্চুয়াল বন্দিদশার জন্যই তাঁর কিছুটা সমস্যা হয়েছে। বেশিরভাগ সময়টাই ফোন ঘেঁটেছেন। কখনও ইন্টারনেটে ব্রাউজ করেছেন, কখনও বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে সেই কঠিন সময়ে চিকিৎসক ও নার্সরা যেভাবে তাঁকে সাহায্য করেছেন, সেজন্য তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রৌঢ়।

বন্ধ করুন