বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বিধি উড়িয়েই নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে স্কুলে! 'কোচিং ক্লাস', সাফাই প্রধান শিক্ষকের
বিধি উড়িয়েই নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে স্কুলে! এটা কোচিং ক্লাস, সাফাই প্রধান শিক্ষকের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)
বিধি উড়িয়েই নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে স্কুলে! এটা কোচিং ক্লাস, সাফাই প্রধান শিক্ষকের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

বিধি উড়িয়েই নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে স্কুলে! 'কোচিং ক্লাস', সাফাই প্রধান শিক্ষকের

  • ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের ক্লাস হচ্ছে স্কুলে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে আপাতত রাজ্যে স্কুল, কলেজসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের পঠন পাঠন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু, সরকারি সেই নির্দেশকে উড়িয়ে ক্লাস চলছে মালদার রতুয়া ২ নম্বর ব্লকের সুলতানগঞ্জ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সরকার পোষিত স্কুলে বিধি উড়িয়ে কিভাবে ক্লাস চলছে? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তাও আবার ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের ক্লাস হচ্ছে ওই স্কুলে। এই বিষয়টি জানার পরে তৎপর হয়েছেন স্থানীয় বিডিও নিশীথকুমার মাহাতো। অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতির কারণে আপাতত রাজ্যে স্কুল, কলেজসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের পঠন পাঠন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু, সরকারি সেই নির্দেশকে উড়িয়ে ক্লাস চলছে মালদার রতুয়া ২ নম্বর ব্লকের সুলতানগঞ্জ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সরকার পোষিত স্কুলে বিধি উড়িয়ে কীভাবে ক্লাস চলছে? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তাও আবার ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের ক্লাস হচ্ছে ওই স্কুলে। এই বিষয়টি জানার পরে তৎপর হয়েছেন স্থানীয় বিডিও নিশীথকুমার মাহাতো। অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

১৭ জানুয়ারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাফিজুর রহমান বিজ্ঞপ্তি জারি করে গত বুধবার থেকে স্কুলের পঠন পাঠন চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই মতোই গত বুধবার থেকে স্কুলের পড়ুয়াদের পঠন-পাঠন শুরু হয়ে যায়। বিজ্ঞপ্তিতে পড়ুয়াদের মাস্ক এবং সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে পঠন পাঠনের নির্দেশ দেওয়া হলেও আদতে স্কুলে গিয়ে দেখা যায় অন্য ছবি। এক একটি বেঞ্চে চার থেকে পাঁচজন পড়ুয়াকে একসঙ্গে ক্লাস করতে দেখা যায় স্কুলে। বেশিরভাগ পড়ুয়ার মুখে মাস্ক থাকলেও অনেকেই আবার ঠিক মতো মাস্ক পড়েনি। আবার বেশ কয়েকজন পড়ুয়াকে মাস্ক ছাড়াই দেখা গিয়েছে। আর তাতেই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।

যেখানে এখনও পর্যন্ত স্কুল খোলার কোনও নির্দেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি তাহলে কীভাবে একটি স্কুল নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে? তাই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে ছবি তুলতে বাধা দেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তবে তিনি জানান, 'সম্পূর্ণ কোভিড বিধি মেনেই ক্লাস চলছে। মূলত যে সমস্ত পড়ুয়ারা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য ক্লাস করানো হচ্ছে।' তিনি জানিয়েছেন, 'সোম, বুধ এবং শুক্রবারে ষষ্ঠ এবং অষ্টম শ্রেণির ক্লাস হচ্ছে। অন্যদিকে, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিবারে সপ্তম এবং নবম শ্রেণির ক্লাস হচ্ছে। তবে, এটিকে স্কুলের কোচিং ক্লাস বলেই দাবি করেছেন প্রধান শিক্ষক। তিনি জানান, 'এটি পড়ুয়াদের নিয়মিত কোনও ক্লাস নয়, যে সমস্ত পড়ুয়াদের সমস্যা হচ্ছে তাদের জন্য স্কুলে এই কোচিং ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।'

বিডিওর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, 'এখনও আমার এ সম্পর্কে কিছুই জানা নেই। খোঁজ নিচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' তবে সরকারি বিধি নিষেধ উড়িয়ে স্কুলের ক্লাস চললেও সেক্ষেত্রে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের একাংশ স্কুলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বন্ধ করুন