বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Shantanu Thakur: গরিব কার্ডে রেশন নেন শান্তনু ঠাকুর! সারেন্ডার করবেন, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Shantanu Thakur: গরিব কার্ডে রেশন নেন শান্তনু ঠাকুর! সারেন্ডার করবেন, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।

তাঁর বিরুদ্ধে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য। বুধবার গাইঘাটায় বিডিও অফিসে আবাস যোজনা নিয়ে একটি ডেপুটেশন জমা দেয় সিপিএম। সেখানেই এই অভিযোগ করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য।

গরিবদের জন্য বরাদ্দ পিএইচএইচ (প্রায়োরিটি হাউস হোল্ড) কার্ডে রেশন তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকর। তাঁর বিরুদ্ধে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য। বুধবার গাইঘাটায় বিডিও অফিসে আবাস যোজনা নিয়ে একটি ডেপুটেশন জমা দেয় সিপিএম। সেখানেই এই অভিযোগ করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য। পিএইচএইচ ক্যাটাগরিতে কার্ড যে রয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। শীঘ্রই তিনি সারেন্ডার করবেন বলে জানিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর।

ডেপুটেশনের সময় রেশন কার্ডের নম্বর উল্লেখ করে বিডিও-র উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই কার্ডটি পিএইচএইচ। এক জন সাংসাদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী করে এই কার্ড ব্যবহার করেন। শান্তুনু ঠাকুর চাইলে আমার বিরুদ্ধে কোর্ট যেতে পারেন। কোর্টে আমি রেশন কার্ডটি তুলে ধরব।’ 

তবে কোর্ট প্রসঙ্গ না তুলেই শান্তনু ঠাকুর জানিয়ে দেন, তাঁর মা না বুঝেই এই রেশনটি তুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘রাজ্যে রেশন কার্ডে ভূরি ভূরি ভুল রয়েছে। আমি দেখিনে কী কার্ড এসেছে। মা রেশন তোলেন। তিনি তো মন্ত্রী নন। মায়ের পক্ষে এতো সব বোঝা সম্ভব নয়। ওই কার্ডে আমি কোনও দিন রেশ তুলিনি।’ এর পর তিনি জানিয়ে দেন তিনি ওই কার্ড সারেন্ডার করবেন। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই কার্ড সারেন্ডার করব’।

ওই রেশন কার্ড থেকে নিয়মিত রেশন তোলা হতো তা জানিয়েছে রেশন ডিলার জয়ন্ত মৃধা। তিনি বলেন, ‘শান্তনু ঠাকুরের পরিবারের কয়েক জনের পিএইচএইচ রেশন কার্ড রয়েছে। কার্ডগুলি দিয়ে প্রতিমাসেই তাঁরা রেশন তুলতে আসেন। পিএইচএইচ কার্ডে ৬ কেজি ৭৫০ গ্রাম চাল, ১ কেজি ২৫০ গ্রাম গম এবং ২ কেজি আটা-সহ মোট ১০ কেজি জিনিস পান তাঁরা’।

যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রেশন দুর্নীতি প্রসঙ্গ তুলে সিপিএম-তৃণমূল উভয়ের দিকেই আঙুল তুলেছেন। সিপিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লুট তো ওঁরা ৩৪ বছর করেছে। এখন কোনও রাস্তা খুঁজে পাচ্ছে না। ’

অন্য দিকে রাজ্যের দিকে আঙুল তুলে শান্তনু ঠাকুর বলেন,‘আমি এমনও দেখাব যাঁরা বিলো ক্যাটাগরি তাঁদের বড় কার্ড। পুরুষ কার্ডে মহিলা হয়ে গিয়েছে। তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কী করেছেন একবার বার করা হোক। কত ধানে কত চাল তা দেখা হোক’।

এর প্রতিক্রিয়ায় গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, ‘শান্তনু ঠাকুরদের আগেই উচিত ছিল কার্ডগুলি সারেন্ডার করা। এর বিরুদ্ধে আইন মেনে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না আমরা দেখছি।’

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন