বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Education Scam: শিক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড়ের মধ্য়েই পুরনো মামলায় বেকসুর খালাস সিপিএম নেত্রী
মিতা বেজ (ছবি: ফেসবুক)

Education Scam: শিক্ষায় দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড়ের মধ্য়েই পুরনো মামলায় বেকসুর খালাস সিপিএম নেত্রী

  • মিতা বেজ নামে ওই সিপিএম নেত্রীকে সোমবার বেকসুর খালাস করে দিয়েছে ঝাড়গ্রাম বিচারবিভাগীয় আদালত। সরকারি কৌঁসুলি অনিল মণ্ডল জানিয়েছেন, তথ্য প্রমাণের অভাবে তাঁকে খালাস করে দিয়েছেন বিচারক।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল স্কুলে শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের। এক দশকের সেই পুরনো মামলায় ছাড়া পেলেন এক প্রাক্তন সিপিএম নেত্রী।

মিতা বেজ নামে ওই সিপিএম নেত্রীকে সোমবার বেকসুর খালাস করে দিয়েছে ঝাড়গ্রাম বিচারবিভাগীয় আদালত। সরকারি কৌঁসুলি অনিল মণ্ডল জানিয়েছেন, তথ্য প্রমাণের অভাবে তাঁকে খালাস করে দিয়েছেন বিচারক।

কী হয়েছিল? বাম আমলে বিনপুরের সাহাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মিতা ছিলেন সিপিএমের মহিলা সমিতির নেত্রী। ২০১১ সালের ২৯ মার্চ স্থানীয় কুড়চিবনি গ্রামের মদন মণ্ডলের অভিযোগ করেন ২০০১ সালে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিপিএম নেত্রী তাঁর থেকে এক লক্ষ টাকা চান। মদনের দাবি, তিনি প্রথমে তাঁকে ৬৮ হাজার টাকা দেন। পরে বাকি টাকা দেন। তাও আবার জমি বন্ধক রেখে।

দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও তিনি চাকরি পাননি। পরে টাকা ফেরত চেয়েও মেলেনি। এর পর তিনি মিতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

মদনের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঝাড়গ্রাম আদালত তাঁর জামিন খারিজ করলেও তৎকালীন পশ্চিম মেদিনীপুর আদালত জামিন মঞ্জুর করে। মামলাটি বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়রা সোপর্দ হয়ে ২০১৫ সালে বিচার শুরু হয়। সিমিএম নেত্রী টাকা নিয়েছিলেন তা প্রমাণ করতে পারেননি তদন্তকারী অফিসার। ফলে তিনি বেকসুর খালাস পেয়ে যান।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে সত্তর বছর বয়সি মিতা জানিয়েছেন, ১৯৮৯ সালে মহিলা সংগঠন ছেড়ে দেওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়।

মিতার কথায়, 'আমাদের একটি পরিবারিক জমি দখলের চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় এক সিপিএম নেতা। তা নিয়ে ২০০৫ সালে অশান্তিও হয়। তৎকালীন মহাকুমা শাসকের হস্তক্ষেপে জমি দখলমুক্ত হয়। সেই আক্রোশই সিপিএম নেতারা আমার বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ করেছিলেন।' তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা সিপিএম নেতা।

 

বন্ধ করুন