লকডাউনের জেরে ভাটা পড়েছে দার্জিলিঙের পর্যটন ব্যবসায়।
লকডাউনের জেরে ভাটা পড়েছে দার্জিলিঙের পর্যটন ব্যবসায়।

বিকল্প আয়ের খোঁজে দার্জিলিঙে একাধিক জনপ্রিয় রেস্তোরাঁয় চালু হোম ডেলিভারি

  • কিছু আয়ের সংস্থান করা ছাড়াও গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে হোম ডেলিভারি পরিষেবা চালু রাখা জরুরি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে লকডাউনের জেরে ভাটা পড়েছে উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়। টিকে থাকার লড়াইয়ে তাই এবার হোম ডেলিভারির শরণাপন্ন হলেন দার্জিলিং জেলার হোটেল ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, কিছু আয়ের সংস্থান করা ছাড়াও গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে হোম ডেলিভারি পরিষেবা চালু রাখা জরুরি।

উত্তরবঙ্গের ব্যস্ততম শহর শিলিগুড়িতে ইতিমধ্যেই এ পথে পা বাড়িয়েছে অম্বুজা নেওটিয়া গ্রুপের ক্লাব মন্টানা ভিস্তা হোটেল এবং ম্যারিয়ট হোটেল গ্রুপের কোর্টইয়ার্ড রেস্তোরাঁ। 

সুখাদ্যের ঠিকানা হিসেবে ক্লাব মন্টানা ভিস্তার রেস্তোরাঁরসলসুনাম রয়েছে। বিশেষ করে এই রেস্তোরাঁর রবিবারের ব্রাঞ্চ-এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সে কথা মাথায় রেখেই এবার সুইগি-র সঙ্গে গাঁটছড়ি বেঁধে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় তাঁদের প্রিয় পদগুলি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে রেস্তোরাণঁ কর্তৃপক্ষ।

অন্য দিকে, কোর্টইয়ার্ড রেস্তোরাঁ তাদের গ্রাহকদের জোম্যাটো-র সাহায্যে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

শৈলশহর দার্জিলিঙের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনাবাস মেফেয়ার রিসর্ট এখনও হোম ডেলিভারি পরিষেবা চালু না করলেও গ্রাহকদের সহ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে খাবারের অর্ডার নেওয়া শুরু করেছে। তবে অন্যান্য হোটেলগুলি এখনও তেমন উদ্যোগ নেয়নি। তাদের অনেকেরই ধারণা, আগামী অক্টোবর মরশুম থেকে ব্যবসায়িক পরিস্থিতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়াবে। 

হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়া্র্ক-এর সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানিয়েছেন, ‘সংকটের সময় উপার্জনের জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে টিকে থাকতে চাইছে বেশ কিছু হোটেল।’

বন্ধ করুন