বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > খেতের মাঝে বধূর বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার ঘাটালে, ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ গ্রামবাসীদের
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

খেতের মাঝে বধূর বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার ঘাটালে, ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ গ্রামবাসীদের

  • এ ব্যাপারে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করা না হলেও মৃতের স্বামী নেপাল মল্লিককে আটক করেছে পুলিশ।

উত্তরপ্রদেশে হাথরাসে ১৯ বছরের এক দলিত কন্যার খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ। তার মধ্যেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্ষণের ঘটনার পাওয়া যাচ্ছে। এবার তাতে যোগ হল পশ্চিমবঙ্গের নাম। তবে অভিযোগ এখনও তদন্তসাপেক্ষ বলে জানিয়েছে ঘাটাল থানার পুলিশ।

এদিন সকালে ঘাটাল থানার লক্ষ্মণপুরের বাইতিচকে খেত থেকে এক বধূর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই বধূর নাম প্রতিমা মল্লিক (৩৫)। তাঁর বাড়ি চন্দ্রকোণা থানার ভোবলায়। গ্রামবাসীদের মারফত খবর পেয়ে এদিন সকালে ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। বিবস্ত্র অবস্থায় ওই বধূর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই বধূকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করা না হলেও মৃতের স্বামী নেপাল মল্লিককে আটক করেছে পুলিশ।

এ ঘটনার ব্যাপারে ঘাটাল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অগ্নিশ্বর চৌধুরি ও ঘাটাল থানার ওসি দেবাংশু ভৌমিক জানিয়েছেন, কী কারণে বধূর মৃত্যু হয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে তা জানা যাবে। তবে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। একইসঙ্গে জেরা করা হচ্ছে মৃতের স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি নেপাল মল্লিককে।

এদিকে, মৃত বধূর প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, প্রতিমার সঙ্গে তাঁর স্বামী নেপালের মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। বুধবার রাতে দু’‌জনের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রতিমাকে মারধরও করত নেপাল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই রহস্যের জট খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

বন্ধ করুন