বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বাঘরোলের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার, 'আগে জানলে সংরক্ষণ করতাম' বলছেন স্থানীরা
বাঘরোলের মৃতদেহ উদ্ধার। ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক।
বাঘরোলের মৃতদেহ উদ্ধার। ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক।

বাঘরোলের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার, 'আগে জানলে সংরক্ষণ করতাম' বলছেন স্থানীরা

  • চুঁচুড়ার সাহাগঞ্জ গরীব আমলবাগে বুধবার যে বাঘরোলের রক্তাক্ত দেহ পাওয়া গেছে সেটি বাঘরোলের ছানা বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

হাওড়ার বাগনানের পর এবার বাঘরোলের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো হুগলির চুঁচুড়ায়। ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই বনকর্মীরা বাঘরোলের মৃতদেহ উদ্ধার করে। চুঁচুড়ার সাহাগঞ্জ গরীব আমলবাগে বুধবার যে বাঘরোলের রক্তাক্ত দেহ পাওয়া গেছে সেটি বাঘরোলের ছানা বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

কিছুদিন আগেই হাওড়ার বাগনানে তিনটি বাঘরোলকে খাবারে বিষ মিশিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় অভিযুক্তদের খুঁজে দেওয়ার জন্য পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল বনদফতর। তবে সাহাগঞ্জে যে বাঘরোল ছানা মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে কি কারণে এই তার মৃত্যু হয়েছে তা সঠিকভাবে বলতে পারছেন না স্থানীয়রা। তবে এটি কোনও হত্যা নয় বলেই জানতে পেরেছে বনদফতর।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে কুকুরের হামলাতেই এই বাঘরোল ছানার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে ওই বাঘরোল ছানা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। প্রথমে তারা বুঝে উঠতে পারেননি যে সেই প্রাণীটি বাঘরোল ছানা। স্থানীয়দের দাবি, ডানলপ জঙ্গল থেকে কোনওভাবে লোকালয়ে চলে আসে ওই বাঘরোল ছানা।

প্রসঙ্গত, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বাগরোল হল একটি সংরক্ষিত প্রাণী। এই ধরনের প্রাণী হত্যা করা বা পোষা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। স্থানীয়দের অনেকে বলছেন আগে তারা জানলে এই বাঘরোল ছানাকে সংরক্ষণের চেষ্টা করতেন।

অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের কান্দিতে শিকার উৎসবের নামে বেশ কয়েকটি বন্য প্রাণী ও পাখি হত্যার দায়ে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও বন বিভাগ। তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছেন।

বন্ধ করুন