বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হাসপাতাল তো জেলখানা নয়, পলাতক করোনা রোগীর দেহ উদ্ধারের পর সাফাই হাওড়া সঞ্জীবনের
হাওড়ার সঞ্জীবন কোভিড হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত
হাওড়ার সঞ্জীবন কোভিড হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত

হাসপাতাল তো জেলখানা নয়, পলাতক করোনা রোগীর দেহ উদ্ধারের পর সাফাই হাওড়া সঞ্জীবনের

  • প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে এক করোনা রোগী সকলের নজর এড়িয়ে পালিয়ে গেল। তাঁদের আরও অভিযোগ, ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই যুবকের ওপর শারীরিক বা মানসিক অত্যাচার চালিয়েছে।

হাওড়ার সঞ্জীবন কোভিড হাসপাতালের এক করোনা রোগীর দেহ উদ্ধারকে ঘিরে কাঠগড়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক পুকুরে ওই যুবকের দেহ ভাসতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ দেহ উদ্ধার করতে এলে তাদেরকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। দেহ আটকে চলে পথ অবরোধ। হাসপাতালে ভাঙচুরের চেষ্টাও করেন স্থানীয়রা। তাঁরা হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গাফিতলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে এক করোনা রোগী সকলের নজর এড়িয়ে পালিয়ে গেল। তাঁদের আরও অভিযোগ, ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই যুবকের ওপর শারীরিক বা মানসিক অত্যাচার চালিয়েছে। তার জেরেই আত্মঘাতী হয়েছে করোনা আক্রান্ত ওই যুবক।

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বক্তব্য, ওই করোনা আক্রান্ত যুবককে ১২ অক্টোবর সঞ্জীবন কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাত ১২টা নাগাদ সকলের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি সাধারণ পোশাক পরে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। পরে সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে যে ওই যুবক হাসপাতালের পাঁচিল টপকে বাইরে পালান। গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের কর্তা সুভাশিস মিত্র বলেন, ‘‌রোগী, বিশেষ করে করোনা রোগীদের ওপর আমরা যথেষ্ট কড়া নজর রাখি। ওই যুবক শৌচালয়ে গিয়ে হাসপাতালের পোশাক ছেড়ে সাধারণ পোশাক পরে বেরিয়ে যায়। তাই বোঝা সম্ভব হয়নি। তা ছাড়া হাসপাতাল তো আর জেলখানা নয়। তা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনওভাবে বুঝিয়ে ওই করোনা রোগীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই করোনা বিধি মেনে ওই মৃত যুবকের শেষকৃত্য করা হয়।

বন্ধ করুন