বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মালদায় প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬, হতে পারে ফরেনসিক তদন্ত
মালদা সুজাপুরের সেই প্লাস্টিক কারখানা। ছবি : সংগৃহীত
মালদা সুজাপুরের সেই প্লাস্টিক কারখানা। ছবি : সংগৃহীত

মালদায় প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬, হতে পারে ফরেনসিক তদন্ত

  • শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মালদার ডিভিশনাল কমিশনার। সঙ্গে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সও (‌এসটিএফ)‌ ছিল।

‌মালদার সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬। বিস্ফোরণে গুরুতর জখম অবস্থায় কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তর করার সময়ই মৃত্যু হয় আর একজনের। মৃতের নাম আবু সায়েদ খান (‌৪৪)‌। ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় আরও চারজন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ মালদার সুজাপুরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে একটি প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে যায় কারখানার ছাদ। যেখানে মেশিনটি ছিল, সেখানে বিস্ফোরণে তৈরি হয় বিশাল বড় গর্ত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কারখানার ভেতরে থাকা ৫ জন শ্রমিকের। আর এদিন রাতে কলকাতায় নিয়ে আসার পথে মৃত্যু হল আবু সায়েদ খানের।

এদিকে, শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মালদার ডিভিশনাল কমিশনার। সঙ্গে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সও (‌এসটিএফ)‌ ছিল। জানা গিয়েছে, এত ভয়াবহ বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে এদিন সন্ধেয় ঘটনাস্থলে আসছেন রাজ্যের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বেশ কিছু নমুনা সেখান থেকে সংগ্রহ করবেন। ঘটনার দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র ও যান মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি তিনি জখম ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন মৌসম বেনজির নূর এবং কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী। উল্লেখ্য, ওই কারখানায় ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে হত। বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক মেশিনে কেটে ফের সেগুলি কাজে লাগানো হত। কারখানায় ঠিকঠাক অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বন্ধ করুন