বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Mid-Day Meal: মিড–ডে মিলের খাবারে ডিটার্জেন্ট দেওয়ার অভিযোগ, পড়ুয়াদের বমি শুরু ইটাহারে
মিড–ডে মিল (PTI)

Mid-Day Meal: মিড–ডে মিলের খাবারে ডিটার্জেন্ট দেওয়ার অভিযোগ, পড়ুয়াদের বমি শুরু ইটাহারে

  • মিড–ডে মিলের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ছিলিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়া। এখানে খিচুড়ি রান্না হয়েছিল। সেটা খেয়েই কারও পেটে ব্যথা শুরু হয়ে যায়, কেউ বমি করতে শুরু করে। তখন পড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে যায় অভিভাবকরা।

মিড–ডে মিলের খাবারে কখনও সাপ, কখনও কেঁচো পাওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছিল। এবার নুনের বদলে দিয়ে দেওয়া হল কাপড় কাচার গুঁড়ো সাবান৷ যা ডিটারজেন্ট নামেই পরিচিত। এই অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার ব্লকের কাপাশিয়া এলাকার একটি স্কুলের বিরুদ্ধে৷ এমনকী এই ঘটনায় পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়ে৷ বমি করতে শুরু করে এই খাবার খেয়ে।

ঠিক কী ঘটেছে ইটাহারে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার মিড–ডে মিলের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ছিলিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়া। এখানে খিচুড়ি রান্না হয়েছিল। সেটা খেয়েই কারও পেটে ব্যথা শুরু হয়ে যায়, কেউ বমি করতে শুরু করে। তখন পড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে যায় অভিভাবকরা। ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অনেক পড়ুয়াকেই প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একজন হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন।

অভিভাবকদের অভিযোগ ঠিক কী? এই ঘটনা নিয়ে‌ অভিভাবকদের অভিযোগ, ‘‌মিড– ডে মিলের খাবারে নুনের বদলে ডিটার্জেন্ট দিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ তার জেরেই অসুস্থ হয়ে পড়ে পড়ুয়ারা৷ বমি থেকে পেটে যন্ত্রণা–সহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়৷ তখনই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় পড়ুয়াদের৷’‌ খোঁজ নিয়ে অভিভাবকরা জানতে পারেন নুনের বদলে খিচুড়িতে মেশানো হয়েছিল ডিটার্জেন্ট বা গুঁড়ো সাবান। এরপরই অভিভাবকরা স্কুলে চড়াও হয়৷

তারপর সেখানে কী ঘটল?‌ এই ঘটনার পর প্রধানশিক্ষক–সহ অন্যান্য শিক্ষকদের ঘরে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা৷ পরে ইটাহার থানার পুলিশ গিয়ে শিক্ষকদের উদ্ধার করে৷ এই ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ৷ অসুস্থ বাচ্চাদের দিকেও নজর রাখছেন তাঁরা৷ ছিলিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ২০৮। শুক্রবার স্কুলে গিয়েছিল ১২৭ জন পড়ুয়া। রাঁধুনি এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও যাতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেই দাবিতেই সরব হন অভিভাবকরা। তবে ইটাহারের বিডিও অমিত বিশ্বাস জানান, এই ঘটনার কথা জানাতে পেরেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বন্ধ করুন