বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > চালকের তৎপরতায় ধূপগুড়িতে পাচারের সময় উদ্ধার হল ৮৫ লক্ষ টাকার সোনা

চালকের তৎপরতায় ধূপগুড়িতে পাচারের সময় উদ্ধার হল ৮৫ লক্ষ টাকার সোনা

উদ্ধার হওয়া সোনা ও চালক বাপি রায়।

পুলিশকর্মী জাতীয় সড়কে নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের জানান। গাড়ি নাকায় পৌঁছলে সেটিকে আটক করেন পুলিশকর্মীরা। এর পর ধূপগুড়ি থানার আইসি গিয়ে ২ যুবকের কাছ থেকে ১৪টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেন।

গাড়িচালকের তৎপরতায় ফাঁস হয়ে গেল সোনা পাচারের চক্রান্ত। গ্রেফতার হল ভিনরাজ্যের ২ যুবক। তাদের কাছ থেকে প্রায় ১ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকা। শনিবার দুপুরে এই ঘটনা ধূপগুড়ির গোশালা মোড়ের। অসম থেকে এই সোনা পাচার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের।

গাড়ির চালক বাপি রায় বলেন, শনিবার সকালে ধূপগুড়ি গাড়ি মেরামতির জন্য শিলিগুড়ি আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। তখন আরেক চালক বলেন, ২ জন যুবক শিলিগুড়ি যেতে চায়। তুই নিয়ে যা। বাপি ২ যুবককে নিয়ে রওনা দিতেই তাঁরা অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। পরনের জ্যাকেট দিয়ে কোমরের কিছু ঢাকার চেষ্টা করেন তারা। কিছুদূর গিয়ে তারা চা খাওয়ার জন্য গাড়ি দাড় করাতে বলেন। তখন বাপি খেয়াল করেন, ২ যুবকের কোমরে প্লাস্টিকের প্যাকেটে কিছু বাঁধা রয়েছে। সেখান থেকে রওনা হয়ে কিছুদূরে পেট্রোল পাম্পে গাড়ি দাঁড় করান বাপি। সেখানে শৌচাগারে গিয়ে ধূপগুড়ি থানার এক পুলিশকর্মীকে ফোনে জানান বিষয়টি। পুলিশকর্মী জাতীয় সড়কে নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের জানান। গাড়ি নাকায় পৌঁছলে সেটিকে আটক করেন পুলিশকর্মীরা। এর পর ধূপগুড়ি থানার আইসি গিয়ে ২ যুবকের কাছ থেকে ১৪টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেন। যার বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকা।

বাপিবাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যুবকরা আমাকে বিভিন্ন জিনিস খেতে বলছিল। ওদের কোমরে কিছু বাঁধা আছে বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে যাই। পুলিশকে জানাই। রাস্তায় ধরা পড়লে আমাকেও জেলে যেতে হত।

 

বন্ধ করুন