বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'ডাস্টবিন, বৃদ্ধাবাস...', পবন-কীর্তিদের তৃণমূলে যোগ নিয়ে কটাক্ষ দিলীপের
দিলীপ ঘোষ (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
দিলীপ ঘোষ (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

'ডাস্টবিন, বৃদ্ধাবাস...', পবন-কীর্তিদের তৃণমূলে যোগ নিয়ে কটাক্ষ দিলীপের

  • দেশজুড়ে মোদী বিরোধীদের একজোট করার কথা বলে সংগঠন বিস্তার করতে শুরু করে অন্য দল ভাঙিয়ে নিজেদের ‘সম্প্রসারণ’ নীতি বাস্তবায়িত করছে তৃণমূল।

দিল্লিতে গতকাল একের পর এক 'প্রাক্তনদের' দলে যোগদান করিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেউ কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি তো কেউ প্রাক্তন সাংসদ... আর তৃণমূলের এই 'সম্প্রসারণ' নীতি নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা গেল বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়। তাঁর কটাক্ষ, তৃণমূল এখন বাতিল নেতাদের পুনর্বাসনের জায়গা। দলটাই এখন একটা বৃদ্ধাশ্রম!

তৃণমূলে পবন বর্মা, কীর্তি আজাদদের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মঙ্গলবার আসানসোলে সাংবাদিকদের দিলীপ ঘোষ বলেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস এখন ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে। বৃদ্ধাবাস হয়ে গিয়েছে দলটা। কাকে কোন পদ দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেটা উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বলতে পারবেন। সব দল থেকে বিতাড়িত নেতাদের নিয়ে আসছে নিজের দলে। তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়ার জায়গা হয়ে গিয়েছে তৃণমূল।'

মঙ্গলবার মমতার উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা কীর্তি আজাদ, রাহুল ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হরিয়ানার প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা অশোক তানওয়ার ও জেডিইউ-এর প্রাক্তন সাংসদ পবন বর্মা। পাশাপাশি এদিন মমতার সঙ্গে দেখা করেছেন গীতিকার জাভেদ আখতারও। এর মধ্যে কীর্তি আজাদকে বিজেপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। ২০১৯ সালে পবন বর্মাকে বহিষ্কার করেছিল জেডিইউ। আশোক তানওয়ারও হরিয়ানার অন্য কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে সংঘাতের জেরে দল ছেড়েছিলেন। আর সেই সূত্র ধরেই মমতাকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ।

দেশজুড়ে মোদী বিরোধীদের একজোট করার কথা বলে সংগঠন বিস্তার করতে শুরু করেছে তৃণমূল। সেই প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রাজনৈতিক নেতারা তৃণমূলে যোগদান করছেন। দেখা যাচ্ছে যে যাঁরা ঘাসফুল শিবিরের শরিক হচ্ছেন, তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেসের। এর আগে উত্তরপ্রদেশের ললিতেশপতি ত্রিপাঠি ও রাজেশপতি ত্রিপাঠি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। দুই নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢরার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তার আগে সুস্মিতা দেব, লুইজিনহো ফেলেইরো কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সুস্মিতা ও ফেলেইরোকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের ত্রিপুরা ও গোয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। এই আবহে কংগ্রেস ভাঙিয়েই জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার ছক কষছে তৃণমূল।

বন্ধ করুন