বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Misti Hub: বর্ধমানে মিষ্টি হাব খোলা রাখার উদ্যোগ প্রশাসনের, পক্ষে নন ব্যবসায়ীরা
মিষ্টি হাব। ফাইল ছবি।
মিষ্টি হাব। ফাইল ছবি।

Misti Hub: বর্ধমানে মিষ্টি হাব খোলা রাখার উদ্যোগ প্রশাসনের, পক্ষে নন ব্যবসায়ীরা

  • মিষ্টি হাব উদ্বোধন হলেও তাতে বেশি ক্রেতা না আসায় লাভের মুখ দেখতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়েই তারা দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে দেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেই মিষ্টি হাব পুনরায় চালু করতে তৎপর হয়েছে জেলা প্রশাসন।

বর্ধমানে মিষ্টি হাব খোলা রাখতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। ব্যবসায় লাভের মুখ না দেখায় মিষ্টি হাবের দোকান বন্ধ রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা।তাই তারা এখনই মিষ্টি হাবের দোকান খুলতে চায়ছে না। তবে এই মিষ্টি হাবের দোকান খোলার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের কড়া নির্দেশিকা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মিষ্টি হাবে দোকান খুলতে হবে বলে ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। না হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালে পূর্ব বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বামচাঁদাইপুরে মিষ্টি হাবের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, মিষ্টি হাব উদ্বোধন হলেও তাতে বেশি ক্রেতা না আসায় লাভের মুখ দেখতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়েই তারা দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে দেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেই মিষ্টি হাব পুনরায় চালু করতে তৎপর হয়েছে জেলা প্রশাসন। গত ৬ মে পুলিশ সুপার জেলা, পরিষদের সভাপতি এবং অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে জেলাশাসক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ১৫ দিনের মধ্যে মিষ্টি হাবের দোকান খোলার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে জানানো হয়েছে মিষ্টি হাব এবার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি মিষ্টি হাবে ক্রেতা টানতে বিভিন্ন রকমের ব্যবস্থা নিচ্ছে রাজ্য সরকার। সরকারি বাসের পাশাপাশি সেখানে বেসরকারি বাস দাঁড় করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে ক্রেতা বাড়বে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন। জাতীয় সড়ক থেকে মিষ্টি হাবে বাস ঢোকার জন্য কাটিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়ংকা সিংলা জানিয়েছেন, বাস দাঁড়ানোর জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বেসরকারি বাসকেও অনুরোধ করা হচ্ছে। যদিও ব্যবসায়ীদের সাফ বক্তব্য, এই মুহূর্তে মিষ্টি হাব খোলার মতো পরিবেশ এখানে নেই। প্রশাসন যদি চায় তাহলে সেক্ষেত্রে তারা দোকান ফিরিয়ে দিতেও রাজি। এর আগেও সেখানে বাস দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু, জোর করে পাশে দাঁড়ালে ক্রেতা পাওয়া যায় না বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

বন্ধ করুন