বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'এসব চলবে না!' সাত সকালেই মহানন্দার পাড়ে জেলাশাসক
অবৈধ বালি তোলা রুখতে মহানন্দার পাড়ে উত্তরদিনাজপুরের জেলাশাসক  (নিজস্ব চিত্র )
অবৈধ বালি তোলা রুখতে মহানন্দার পাড়ে উত্তরদিনাজপুরের জেলাশাসক  (নিজস্ব চিত্র )

'এসব চলবে না!' সাত সকালেই মহানন্দার পাড়ে জেলাশাসক

  • চোপড়া থানার চিতলঘাটার বালির ঘাটে মঙ্গলবার জেলাশাসক অরবিন্দ মিনা আচমকা হানা দেন।

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন নদী থেকে পাথর ও বালি অবৈধভাবে তোলা হয় বলে বার বারই অভিযোগ ওঠে। এমনকী শাসকদলের একাংশের প্রশয়েই এই কাজ হয় বলে অভিযোগ। এবার সেই অবৈধ বালি খাদানের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলেন খোদ উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক। চোপড়া থানার চিতলঘাটার বালির ঘাটে মঙ্গলবার জেলাশাসক অরবিন্দ মিনা আচমকা হানা দেন। এদিন পদস্থ আধিকারিকরাও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। এদিকে বালি খাদানের সামনে খোদ জেলা শাসককে দেখে হতবাক হয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।

 জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় নদী থেকে বালি পাথর তোলা বন্ধ রাখার জন্য সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। তারপরেও ওই এলাকা থেকে বালি, পাথর তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেকারণে মঙ্গলবার সকালে খোদ জেলা শাসক অভিযানে নামেন। এদিকে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি, পাথর তোলার জেরে মহানন্দা নদীর বাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। এদিন জেলা শাসক অরবিন্দ মিনাও বাঁধ পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা এক্রামুল হক বলেন, এখানে ঘাট না চললে গরিব মানুষ খুব সমস্যায় পড়বেন। বাঁধের কাজও হচ্ছে না। আমাদের বাঁধের সংস্কার হলে খুব ভালো হয়। কিন্তু নদীর উপর নির্ভর করেই অনেকে সংসার চালান। এখানে অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে না। তবে জেলা শাসক অরবিন্দ মিনা বলেন, ‘মহানন্দা নদী থেকে বালি তোলা হয়। তবে বর্ষাকালে এটা করা যায় না। তারপরেও খবর পাচ্ছিলাম অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে। সেটাই দেখতে এসেছিলাম। ’

 

বন্ধ করুন