বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পুরসভায় পোশাক ফতোয়া নিয়ে বিতর্ক, দৃষ্টিকটূ পোশাক না পড়ে আসার নোটিশ
পোশাক ফতোয়া জারি করেছে রাজপুর–সোনারপুর পুরসভা।
পোশাক ফতোয়া জারি করেছে রাজপুর–সোনারপুর পুরসভা।

পুরসভায় পোশাক ফতোয়া নিয়ে বিতর্ক, দৃষ্টিকটূ পোশাক না পড়ে আসার নোটিশ

  • আর এই ফতোয়া নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির বক্তব্য, এমন তালিবানি ফতোয়া জারি করা যায় না।

পুরসভায় আসতে হলে পরতে হবে সঠিক পোশাক। অশালীন বা দৃষ্টিকটূ পোশাক পরে পুরসভার কার্যালয়ে প্রবেশ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের জন্য এই পোশাক ফতোয়া জারি করেছে রাজপুর–সোনারপুর পুরসভা। এই ফতোয়ার পাশাপাশি পুরসভার গেটে ঝোলানো হয়েছে নোটিশ। সেখানেও লেখা আছে, ‘‌অশোভনীয় বা দৃষ্টিকটূ পোশাক পড়ে পুরসভায় প্রবেশ নিষিদ্ধ’‌। তবে পুর কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁরা কোনও ড্রেস কোড চালু করেননি। যে কেউ যে কোনও পোশাক পরেই পুরসভায় ঢুকতে পারেন। তবে সেই পোশাক যেন দৃষ্টিকটূ না হয়। আর এই ফতোয়া নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির বক্তব্য, এমন তালিবানি ফতোয়া জারি করা যায় না।

পুরসভা সূত্রে খবর, রাজপুর–সোনারপুর পুরসভার রাজপুর কার্যালয়ে সম্প্রতি বেশ কিছু মানুষ বার্মুন্ডা, হাফপ্যান্ট পরে কার্যালয়ে আসছেন বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা নিতে। এই অবস্থাতেই অনেকে চেয়ারে বসে পায়ের ওপর পা তুলে ঘন্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছেন। তাতে শুধু পুরকর্মী নয় পরিষেবা নিতে আসা অন্যান্য মানুষের বিশেষ করে মহিলাদের অস্বস্তি বাড়ছে। তাই এই ফতোয়া। হ্যাফপ্যান্ট বা বার্মুন্ডা পরে আসা নাগারিকদের ফেরত পাঠাচ্ছে গেটের দায়িত্বে থাকা রক্ষীরা।

এই বিষয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণার (পূর্ব) বিজেপির সভাপতি সুনীপ দাস বলেন, ‘‌পুরসভা কর্তৃপক্ষ এভাবে পোশাক ফতোয়া দিতে পারেন না। তালিবানিরা এমন ফতোয়া দিয়ে থাকে। বরং পুরসভা নিজের কাজটা ঠিক করে করলে ভাল হয়। কীভাবে জমা জল বের করা যায়, এলাকার উন্নয়ন করা যায় সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।’‌ পাল্টা চাঁচাছোলা ভাষায় বিদ্রুপ করেছেন রাজপুর–সোনারপুর পুরসভার প্রশাসক পল্লব দাস। তিনি বলেন, ‘এমন কিছু পোশাক না পরেই আসা উচিত যা দৃষ্টিকটূ লাগে। আগামীদিনে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য রাজপুর–সোনারপুর পৌরসভা এমন উদ্যোগ নিয়েছে।’‌

বন্ধ করুন