বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Eco Tourism Park: ইকো পার্ক তৈরির কাজ থমকে, ধনেখালিতে কেন এমন ঘটনা ঘটল?‌

Eco Tourism Park: ইকো পার্ক তৈরির কাজ থমকে, ধনেখালিতে কেন এমন ঘটনা ঘটল?‌

ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরি থমকে গিয়েছে।

পর্যটকদের জন্য শৌচালয়, জল, রাস্তা,আলো–সহ আধুনিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। তবে সবটাই নির্ভর করছে টাকার উপর। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পের আওতায় বৃক্ষরোপণ, রাস্তায় মাটি ফেলার কাজ হয়েছে। এখন ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হওয়ায় সব প্রকল্পই মাঝপথে থমকে গিয়েছে।

ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরি হচ্ছিল। কিন্তু তা হঠাৎই থমকে গিয়েছে। দশঘড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের বল্লভীপুরে কানা দামোদরের পাশে তৈরি হচ্ছিল ইকো ট্যুরিজম পার্ক। পাঁচ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ৩০ বিঘা জমির উপর সেটি তৈরি হচ্ছিল। প্রথম পর্যায়ের কাজ জোরকদমে চলছিলও। কিন্তু ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গতি হারিয়েছে ইকো পার্ক তৈরির কাজ। ঢালাই রাস্তার কাজও অমীমাংশিত হয়ে পড়ে রয়েছে। কারণ সেই কাজও চলছিল ১০০ দিনের প্রকল্পে। প্রায় ১২ ফুট চওড়া রাস্তা প্রকল্প বন্ধ থাকায় কাজও থমকে গিয়েছে।

বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ কেন্দ্রীয় সরকার এখনও একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে। তাই এমন নানা প্রকল্পের কাজ থমকে যাচ্ছে। যদিও কানা দামোদরের জলকে কাজে লাগাতে ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে বসানো হয়েছে জল পরিশুদ্ধ করার মেশিন। তার জন্য ব্যয় হয়েছে ২৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৭২ টাকা। এতে মানুষের এবং পর্যটকদের উপকার হবে। তবে গোটা ইকো পার্কটি তৈরি হলে তবেই আসবেন পর্যটকরা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কানা দামোদর নদীর জল পরিশ্রুত হয়ে পানের উপযুক্ত হবে।

ঠিক কী বলছে পঞ্চায়েত?‌ এই বিষয়ে ধনেখালি পঞ্চায়েত সমিতির সহ–সভাধিপতি সৌমেন ঘোষ বলেন, ‘‌দশঘরায় ইকো পার্কের কাজ চলছে। তবে কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজ বন্ধ রাখার ফলে আমরা সমস্যায় পড়েছি। ইকো পার্ক তৈরি হলে বিকাশ ঘটত পর্যটনের। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে যে টাকার প্রয়োজন তা গ্রাম পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতির নেই। মোট খরচ ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৪৭ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৩৫ টাকা। এটি তৈরি হলে একদিকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে, তেমনই কর্মসংস্থান হবে বহু মানুষের।’‌

কী থাকবে পার্কের মধ্যে?‌ জানা গিয়েছে, এই পার্কের ভিতর মাছ চাষ, মুরগির খামার ফলের বাগান থাকবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাই দেখভাল করবেন। বাঁশ ও প্রাকৃতিক জিনিস দিয়ে তৈরি হবে কটেজ। একটি ওয়াটার পিউরিফাই প্লান্ট তৈরি করা হয়েছে। এই জল পান করাও যাবে। আবার চাষের জমিতেও ব্যবহার করতে পারবেন চাষিরা। জলের মাঝে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক জিনিসপত্র দিয়ে হল–ঘর তৈরি করা হবে। সেখানে যেতে হলে পর্যটকদের নৌকা করে যেতে হবে। পার্কে থাকবে টয়ট্রেন চড়ার ব্যবস্থা। পর্যটকদের জন্য শৌচালয়, জল, রাস্তা,আলো–সহ আধুনিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। তবে সবটাই নির্ভর করছে টাকার উপর। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পের আওতায় বৃক্ষরোপণ, রাস্তায় মাটি ফেলার কাজ হয়েছে। এখন ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হওয়ায় সব প্রকল্পই মাঝপথে থমকে গিয়েছে।

বন্ধ করুন