জলদাপাড়ায় হাতি সাফারি। ফাইল ছবি
জলদাপাড়ায় হাতি সাফারি। ফাইল ছবি

অ্যানথ্রাক্স আতঙ্কের মধ্যেই জলদাপাড়ায় বন্ধ হাতি সাফারি

  • অভয়ারণ্যে মোট ২৩০টি গন্ডার রয়েছে বলে অনুমান। এছাড়া জলপাইগুড়ির গরুমারা অভয়ারণ্যে রয়েছে ৫০টি গন্ডার।

অ্যানথ্রাক্স আতঙ্কের মধ্যেই জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে হাতি সাফারি বন্ধ করল বনদফতর। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হাতি সাফারি। এর ফলে ব্যবসায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ীরা।

বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যানথ্রাক্সের সংক্রমণ এড়াতে জলদাপাড়ার ৭৮টি কুনকি হাতিকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের কয়েকদিন বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই হাতি সাফারি বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে গাড়ি সাফারি চলবে।

গত বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে জলদাপাড়ায় ৫টি গন্ডার ও ১টি হাতির দেহ উদ্ধার হয়েছে। এতে ছড়িয়েছে অ্যানথ্রাক্সের আতঙ্ক। অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণের উপকেন্দ্র মোট ৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা চিহ্নিত করেছে বনদফতর। সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা ১৩টি গন্ডারকে টিকা দেওয়ার কাজ চলছে।

২০০ বর্গ কিলোমিটারে ছড়িয়ে থাকা জলদাপাড়া অভয়ারণ্য ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্ডার আবাস। অভয়ারণ্যে মোট ২৩০টি গন্ডার রয়েছে বলে অনুমান। এছাড়া জলপাইগুড়ির গরুমারা অভয়ারণ্যে রয়েছে ৫০টি গন্ডার।

উত্তরবঙ্গের কনজারভেটর অফ ফরেস্ট উজ্জ্বল ঘোষ জানিয়েছেন, রোজ ৭৮টি কুনকি হাতির মধ্যে রোজ ৫টি হাতি পর্যটকদের নিয়ে সাফারিতে যায়। দিনে তিন বার সাফারিতে যায় একটি হাতি। কিন্তু অ্যানথ্রাক্সের টিকা দেওয়ায় তাদের বিশ্রাম প্রয়োজন। তাছাড়া বনাঞ্চলে নজরদারির জন্য বাড়তি হাতির দরকার। তাই হাতি সাফারি সাময়িক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

হাতি সাফারি বন্ধে মাথায় হাত পড়েছে স্থানীয় হোটেল মালিকদের। তাদের দাবি, হাতি সাফারির টানেই সেখানে আসেন পর্যটকরা। ফলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়লে তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।



বন্ধ করুন