বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > স্বেচ্ছায় ছাড়লাম ‌সাম্প্রদায়িক দল, যতদিন বাঁচব তৃণমূল করব:‌ হুমায়ুন কবীর
তৃণমূলে ফেরার পর। বহরমপুরে টেক্সটাইল মোড়ের সভামঞ্চে হুমায়ুন কবীর। ছবি : সৃগৃহীত
তৃণমূলে ফেরার পর। বহরমপুরে টেক্সটাইল মোড়ের সভামঞ্চে হুমায়ুন কবীর। ছবি : সৃগৃহীত

স্বেচ্ছায় ছাড়লাম ‌সাম্প্রদায়িক দল, যতদিন বাঁচব তৃণমূল করব:‌ হুমায়ুন কবীর

  • পায়ের তলার হারিয়ে যাওয়া মাটি খুঁজে পেতেই তৃণমূলে ফিরলেন হুমায়ুন। এমনই মনে করছেন বিরোধী দলের নেতারা।

কংগ্রেস–তৃণমূল–কংগ্রেস–বিজেপি। দু’‌দশকেরও বেশি সময় ধরে এই রুটেই ঘুরেছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক কেরিয়ারের গাড়ি। এনআরসি নিয়ে বিজেপি–র সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ায় ইউ–টার্ন নিলেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার সেই গাড়ি থামে শাসকদল তৃণমূলের স্টপেজে। ২০১২–র পর ফের ২০২০। ৮ বছর পর এদিন বহরমপুরে এক জনসভায় তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে দলে প্রত্যাবর্তন করলেন হুমায়ুন।

সভামঞ্চ থেকে রীতিমতো ঘোষণা করলেন, ‘স্বেচ্ছায় সাম্প্রদায়িক দল ছেড়ে দিলাম। ‌আমি এবার শুধু তৃণমূল দলটাই করতে চাই। যতদিন বাঁচব ততদিন তৃণমূলেই থাকব। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে কাজ করব।’‌

২০১১ সালে রেজিনগর থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হন হুমায়ুন কবীর। পরের বছর নভেম্বরে কংগ্রেসের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। সময় নষ্ট না করে যোগ দেন তৃণমূলে। প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রীর পদ দিয়ে দল তাঁকে স্বাগত জানায়। মুর্শিদাবাদের পরিদর্শক শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিবাদের জেরে ২০১৫ সালে তৃণমূল তাঁকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করে।

২০১৬ সালে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ে সামান্য ভোটে কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে হেরে যান। সে বছরই অক্টোবরে ফের কংগ্রেসে ফেরেন তিনি। আবার দলবদল করে ২০১৮ সালে নাম লেখান গেরুয়াশিবিরে। কিন্তু এনআরসি ইস্যুতে দলের ভরাডুবি হতে পারে মনে করে আগে থেকেই জানিয়ে দেন আর বিজেপি করবেন না। সেই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হল বৃহস্পতিবার।

পায়ের তলার হারিয়ে যাওয়া মাটি খুঁজে পেতেই তৃণমূলে ফিরলেন হুমায়ুন। এমনই মনে করছেন বিরোধী দলের নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, ২০২১–এ বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াফুল চিহ্নে টিকিট পাওয়ার আশায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।

বন্ধ করুন