সোমবার সকালে ভেঙে পড়া সেতুর গার্ডারের অংশ।
সোমবার সকালে ভেঙে পড়া সেতুর গার্ডারের অংশ।

নকশা ভুল জেনেও কাজ চলছিল, মানা হয়নি সুরক্ষাবিধি, দাবি ইঞ্জিনিয়ারের

  • রবিবার সন্ধ্যায় ফরাক্কা সেতুতে দুর্ঘটনার পর উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

ফরাক্কা ব্রিজে দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি এক নির্বাহী বাস্তুকারের মুখে। মেনেই নিলেন, ব্রিজের নকশায় ত্রুটির কথা জানা ছিল তাঁর। সেকথা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও ছিলেন তিনি। কিন্তু ভুল নকশাতেই কাজ চালাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পরই রবিবার রাতের দুর্ঘটনা।

রবিবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ নতুন ফরাক্কা ব্রিজের ১ ও ২ নম্বর পিলারের মধ্যে গার্ডার লাগানোর কাজ চলছিল। তখনই পিলারের ওপর থেকে খসে মাটিতে পড়ে গার্ডারটি। নীচে তখন কাজ করছিলেন অন্তত ৫০ জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হন। এখনো পর্যন্ত দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গার্ডার ভেঙে পড়ার সময় প্রবল আওয়াজ হয়। কেঁপে ওঠে আসেপাশের মাটি। এর পর বোঝা যায় ঘটনার ভয়াবহতা।

আরকেইসি নামে যে সংস্থা এই প্রকল্পের বরাত পেয়েছিল তাদের এক ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, নির্মাণকাজ চলার সময় শ্রমিকদের যে সমস্ত সুরক্ষাবিধি মেনে চলা উচিত ছিল রবিবার তার প্রায় কোনওটাই মানা হয়নি। ফলে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর দাবি, প্রকল্পে নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছিল।

পড়শি জেলা মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের গোচরে আনবেন তিনি। উত্তর মালদার বিজেপি বিধায়ক খগেন মুর্মু জানিয়েছেন, এব্যাপারে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে রিপোর্ট দেবেন তিনি।



বন্ধ করুন