বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সরকারি দফতর ঘুরেও মিলছে না কৃষক বন্ধুর টাকা, মামলা হতেই সক্রিয় প্রশাসন
একাধিক সরকারি দফতর ঘুরেও মিলছে না কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা, মামলা হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। ছবিটি প্রতীকী।
একাধিক সরকারি দফতর ঘুরেও মিলছে না কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা, মামলা হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। ছবিটি প্রতীকী।

সরকারি দফতর ঘুরেও মিলছে না কৃষক বন্ধুর টাকা, মামলা হতেই সক্রিয় প্রশাসন

  • সরকারি দফতর ঘুরেও কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা পাচ্ছেন না তার পরিবার। অবশেষে পরিবারের লোকেরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন।

তিনি পেশায় ভাগচাষী। দুই ভাইয়ের নামে যৌথ দলিল রয়েছে। এক বছর আগে মারা গিয়েছেন হৃদরোগে। অথচ সরকারি দফতর ঘুরেও কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা পাচ্ছেন না তার পরিবার। অবশেষে পরিবারের লোকেরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন।

আইনজীবী ইন্দ্রজিৎ রায় চৌধুরী জানান, গতবছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুন্দরবনের কোস্টাল থানা এলাকার কুমিরমারি গ্রামের বাসিন্দা সনাতন মন্ডল। আইনজীবীর বক্তব্য, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় যদি কোনও চাষী মারা যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে তার পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। স্বামীর মৃত্যুতে দুই নাবালিকা কন্যাকে স্বাভাবিকভাবেই সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছিল সনাতন মন্ডলের স্ত্রী সুষ্মা মন্ডলের। সেই কারণে সরকারি সাহায্যের কথা জানতে পেরে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু তারপরেও ক্ষতিপূরণের অর্থ না পাওয়ায় তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত, বিডিও, এসডিও এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন। এত জায়গায় আবেদনের পরেও সরকারের কোনও হেলদোল দেখতে না পেয়ে অবশেষে গত মাসে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

এই খবর জানাজানি হওয়ার পরেই শেষে বিডিও ওই মহিলাকে ডেকে পাঠান। তবে ডেকে পাঠানো তাকে জানানো হয় যে তিনি ক্ষতিপূরণ পাবেন না। কারণ, তার স্বামীর নাম রেকর্ডে নেই। আইনজীবীর অভিযোগ, যদি আগেই সে কথা মৃত কৃষকের পরিবারকে জানিয়ে দেওয়া হতো তাহলে তাদের হয়রানি হতে হতো না। বিচার চাইতে আদালতেও যেতে হতো না। তবে আইনজীবী জানাচ্ছেন, মৃত কৃষকের পরিবার আদৌও ক্ষতিপূরণ পাবে কিনা তা আদালতে বিচার করবে। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে এই মামলার শুনানি রয়েছে।

বন্ধ করুন