বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > East Burdwan: অশান্তির জেরে শ্বশুর বাড়ি ফিরতে চাননি বউ, ছেলেকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী
পূর্ব বর্ধমানে জোড়া দেহ উদ্ধার। প্রতীকী ছবি।

East Burdwan: অশান্তির জেরে শ্বশুর বাড়ি ফিরতে চাননি বউ, ছেলেকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী

  • অতীশের মামা ফটিক বিশ্বাসের বক্তব্য, ‘ভাগ্নের বউকে আনতে গিয়েছিলাম। আমি অপমানিত হয়েছিলাম। অতীশও বহুবার বউকে আনতে গিয়ে অপমানিত হয়েছিল। সেই কারণে অতীশ আত্মঘাতী হয়েছে।’

পারিবারিক অশান্তির জেরে ছেলেকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন বাবা। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের লোধনা এলাকার। গতকাল দরজা বন্ধ ঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাবার এবং কম্বলে মোড়া অবস্থায় মেঝে থেকে ছেলের নিথর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত বাবার নাম অতীশ মজুমদার এবং ছেলের নাম অমর মজুমদার। এই ঘটনায় ওই ব্যক্তির স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার।

পুলিশ সূত্রে সূত্রে জানা গিয়েছে, লোধনা গ্রামের নবগ্রাম কলোনিতে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তাদের দেহ উদ্ধার হয়। দুটি দেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। অতীশ স্ত্রীর নাম রূপা মজুমদার। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রূপার সঙ্গে অতীশ এর বিয়ে হয়েছিল ১৩-১৪ বছর আগে। তাদের দুটি সন্তান। যার মধ্যে কন্যা সন্তানের বয়স ১২ বছর এবং ছেলের বয়স ৭ বছর। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে নিত্যদিন অশান্তি লেগেই থাকত। তার জেরে গত ৬-৭ মাস আগে বাপের বাড়ি চলে যায় রূপা। অতীশ বেশ কয়েকবার তাকে আনতে গিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়ি। কিন্তু, আর ফিরে আসেনি রূপা। এমনকি অতীশের মামাও আনতে গিয়েছিলেন রূপাকে। তারপরেও রূপা আর শ্বশুর বাড়ি ফেরেননি। সেই অপমানেই অতীশ আত্মঘাতী হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

অতীশের মামা ফটিক বিশ্বাসের বক্তব্য, ‘ভাগ্নের বউকে আনতে গিয়েছিলাম। আমি অপমানিত হয়েছিলাম। অতীশও বহুবার বউকে আনতে গিয়ে অপমানিত হয়েছিল। সেই কারণে অতীশ আত্মঘাতী হয়েছে।’ বর্ধমান দক্ষিণের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক অশান্তির কারণেই ঘটনা ঘটেছে। নিজের সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বন্ধ করুন