বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > স্বামী–স্ত্রীর ঝগড়া চরমে, উত্তর দিনাজপুরে মেয়েকে নদীর জলে ছুঁড়ে ফেলল বাবা
আড়াই বছরের শিশুটি জলে ডুবে মারা গিয়েছে।

স্বামী–স্ত্রীর ঝগড়া চরমে, উত্তর দিনাজপুরে মেয়েকে নদীর জলে ছুঁড়ে ফেলল বাবা

  • স্থানীয় সূত্রে খবর, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানার বাজারগাঁও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সোনারপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এখানেই স্ত্রীয়ের উপর রাগ করে নিজের মেয়েকে নদীর জলে ছুঁড়ে ফেলে দেন বাবা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্ত্রীর উপর রেগে খাপ্পা স্বামী। আর সেই রাগের জেরে অঘটন ঘটিয়ে ফেললেন স্বামী। নিজের মেয়েকে নদীর জলে ছুঁড়ে ফেলে দিল। কিছুক্ষণ পর সম্বিত ফিরে পান। কিন্তু ততক্ষণে যা ঘটার ঘটে গিয়েছে। অর্থাৎ সব শেষ। তখন আর কিছু করার নেই। আড়াই বছরের শিশুটি জলে ডুবে মারা গিয়েছে। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

ঠিক কী ঘটেছে পরিবারে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানার বাজারগাঁও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সোনারপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এখানেই স্ত্রীয়ের উপর রাগ করে নিজের মেয়েকে নদীর জলে ছুঁড়ে ফেলে দেন বাবা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কী জানা যাচ্ছে থানা থেকে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত শিশুটির নাম শবনম। আর তার বাবা ফেকারুল। সে পেশায় দিনমজুর। রবিবার রাতে রোজা ভাঙার পর ফেকারুলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই বিবাদের জেরে মাথা গরম হয়ে যায় ফেকারুলের। এই পরিস্থিতিতে ফেকারুল নিজের মেজাজ ধরে রাখতে না পেরে মাঝরাতে তাঁর ঘুমন্ত শিশুকন্যাকে তুলে বাড়ির কাছে নদীর জলে ফেলে দেয়।

ঠিক তার পর কী হল?‌ পরিবার সূত্রে খবর, এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে ফেকারুলের রাগ কমে যায়। তখন সে ছুটে যায় নদীর পারে। কিন্তু ততক্ষণে জলে ডুবে মারা গিয়েছে আড়াই বছরের শবনম। ডালখোলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আজ, সোমবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

বন্ধ করুন