বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > অঙ্গনওয়াড়ির চাকরির নামে প্রতারণা, অভিযোগ মালদহের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে
মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মালতিপুরের বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সি।

অঙ্গনওয়াড়ির চাকরির নামে প্রতারণা, অভিযোগ মালদহের তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

  • মালদহের গাজোলের বাসিন্দা ফারিদা খাতুন–সহ মোট পাঁচজন মহিলা অভিযোগ জানিয়েছেন জেলাশাসকের দফতরে। অভিযোগপত্রে বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে আইসিডিএস প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার নামে মোটা টাকা নেওয়ার নালিশ করা হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে তিনি মোটা টাকা নেন। আর পরে ‘ভুয়ো’ নিয়োগপত্র পাঠান।

আবার চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ। আর তাতে নাম জড়ালো তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কের। আইসিডিএস প্রকল্পে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে মোটা টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে। এই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মালতিপুরের বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে। গাজোল এলাকার কয়েকজন মহিলা এই বিধায়কের বিরুদ্ধে মালদহের জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, মালদহের গাজোলের বাসিন্দা ফারিদা খাতুন–সহ মোট পাঁচজন মহিলা অভিযোগ জানিয়েছেন জেলাশাসকের দফতরে। অভিযোগপত্রে বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে আইসিডিএস প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার নামে মোটা টাকা নেওয়ার নালিশ করা হয়েছে। চাকরি দেওয়ার নামে তিনি মোটা টাকা নেন। আর পরে ‘ভুয়ো’ নিয়োগপত্র পাঠান। ওই মহিলারা টাকা ফেরত চাইলেও তা পাননি বলে অভিযোগ।

ঠিক কী বলেছেন ফারিদা খাতুন?‌ এদিন সংবাদমাধ্যমে ফারিদা খাতুন বলেন, ‘‌তিন বছর আগে আমরা চাকরির জন্য আড়াই লক্ষ টাকা করে দিয়েছি। রহিম বক্সি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু কাজে যোগ দিতে গেলে জানা যায় সেগুলি ভুয়ো। তাই জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়ে এসেছি। আমরা টাকা ফেরত চাই।’‌

বিধায়কের ঠিক কী বক্তব্য?‌ এই অভিযোগের বিষয়ে বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সি বলেন, ‘‌মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। ওই মহিলাদের আমি চিনি না। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র আছে।’‌ মালদহের জেলাশাসক নীতীন সিংহানিয়া অবশ্য কিছু জানাতে চাননি। তবে এই ঘটনা নিয়ে শোগগোল পড়ে গিয়েছে জেলায়।

বন্ধ করুন