বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Bagarius Fish: দামোদরে জালে উঠল দৈত্যাকার কানা বাগার মাছ! ওজন প্রায় ৩০ কেজি
জেলেদের জালে ধরা পড়া সেই মাছ।

Bagarius Fish: দামোদরে জালে উঠল দৈত্যাকার কানা বাগার মাছ! ওজন প্রায় ৩০ কেজি

  • স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুরে এক জেলে টের পান যে তার জালে বড় আকারের কিছু একটা ধরা পড়েছেম এরপরেই অন্যান্য জেলেদের সহযোগিতায় জাল উপরে তুলতেই দেখেন বিশাল আকৃতির এই মাছ। জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানায় এলাকায় আগে এই ধরনের একটি মাছ ধরা পড়েছিল।

দামোদর নদে জাল ফেলতেই উঠল বিশাল আকৃতির মাছ। যার বড় বড় দাঁত এবং বিশাল আকারের পাখনা রয়েছে। গতকাল বাঁকুড়ার পাত্রসায়র থানার শিল্পাঘাটে জেলেদের জালে ওঠে এই মাছ। যার নাম বৈগার বা কানা বাগার মাছ। এর ওজন প্রায় ৩০ কেজি। এলাকাবাসীরা এর আগে কখনও দামাদর নদে এই ধরনের মাছ দেখেননি। ফলে এই মাছ ধরার খবর পেয়ে শিল্পাঘাটে ভিড় জমান বহু কৌতূহলী মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুরে এক জেলে টের পান যে তার জালে বড় আকারের কিছু একটা ধরা পড়ে। এরপরেই অন্যান্য জেলেদের সহযোগিতায় জাল উপরে তুলতেই দেখেন বিশাল আকৃতির এই মাছ। জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানায় এলাকায় আগে এই ধরনের একটি মাছ ধরা পড়েছিল। তবে বাঁকুড়ার এই এলাকায় এই প্রথম এই ধরনের মাছ ধরা পড়ল। দৈত্যাকার এই মাছটি আগে দেখেননি এলাকাবাসীরা। তবে স্থানীয়রা অনেকেই এটিকে ‘কেনো মাছ’ বলে চেনেন।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই মাছটি বাগারিয়াস স্প্যাসিস প্রজাতির। এর স্থানীয় নাম হল বৈগার বা কানা বাগার মাছ। এই ধরনের মাছ দামোদরে খুব একটা দেখা যায় না। এই ধরনের মাছ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় উত্তরপ্রদেশের কালী নদীতে। মূলত বাঁধের কাছেই এই ধরনের মাছগুলি বেশি দেখা যায়। এর আগে এই ধরনের মাছ দেখা গিয়েছিল বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে। জলস্রোত বেশি থাকলেও এই ধরনের মাছ দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মাছটি দামোদরের জলে ভেসে আসছিল। তখনই এই মাছটি জেলেদের জালে ধরা পড়ে। তবে সম্প্রতি দামোদর নদে এই মাছের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

 

বন্ধ করুন