বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > করোনার ‘কল্যাণে’ জলের দরে মিলতে পারে পেল্লায় মাপের ইলিশ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

করোনার ‘কল্যাণে’ জলের দরে মিলতে পারে পেল্লায় মাপের ইলিশ

  • সমুদ্র ও মোহনা ভরে রয়েছে ইলিশে। মৎস্যজীবীদের শুধু ট্রলার নিয়ে নামার অপেক্ষা। 

ঝালে, ঝোলে, অম্বলে খেয়ে শেষ করতে পারবেন না। কয়েক দিনের মধ্যেই এত ইলিশ আসতে চলেছে বাজারে। দাবি পশ্চিমবঙ্গের ইলিশ বিশেষজ্ঞদের। ১৫ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের ইলিশ ধরার মরসুম। তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের সৈকতে এখন চরম তৎপরতা।

গত কয়েক বছর পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ইলিশের ভাগ্যটা ভাল যাচ্ছে না। গত বছর তো কার্যত ইলিশের আকাল গিয়েছে। সাকুল্যে ৫ হাজার মেট্রিকটন ইলিশ উঠেছে গোটা মরশুমে। কিন্তু এবছর সেই আক্ষেপ মিটে যাবে বলে অনুমান ইলিশ বিশেষজ্ঞদের। 

তাঁদের দাবি, মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে জাল ফেললেই এবার উঠবে প্রচুর বড় ইলিশ। কারণ, লকডাউনের জেরে অবাধে সমুদ্র ও মোহনায় চরে বেড়াতে পেরেছে ইলিশের ঝাঁক। তার ওপর প্রজননের মরশুমে লকডাউন থাকায় নদী ও সমুদ্র ছিল দূষণমুক্ত। এর মধ্যে বেশ বেড়েও উঠেছে মাছগুলি। এমনকী জোয়ারের সময় সৈকতে ইলিশ ভেসে চলে আসছে। ফলে মাছের অভাব হবে না এবার। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি মরশুমে ২০ হাজার মেট্রিকটন মাছ উঠবে পশ্চিমবঙ্গের বন্দরগুলিতে।

লকডাউনের জেরে সম্পূর্ণ বন্ধ রফতানি। ফলে সমস্ত মাছই বিক্রি করতে হবে দেশের বাজারে। সেক্ষেত্রে ইলিশের দাম নাগালে আসার সম্ভাবনা প্রভূত। তাই জুনের শেষ থেকেই বাজারে ইলিশের দাম কমতে শুরু করবে বলে আশাবাদী তাঁরা। 

 

বন্ধ করুন