বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হাতি তাড়াতে গিয়ে গুলিতে জখম দাদু-নাতনি, বনকর্মীদের উপরে চড়াও ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী
শুক্রবার পর্যন্ত বামনটারি ও সংলগ্ন আর এক গ্রামে তাণ্ডব চালানোর পরেও গ্রাম ছাড়েনি হাতির পাল।
শুক্রবার পর্যন্ত বামনটারি ও সংলগ্ন আর এক গ্রামে তাণ্ডব চালানোর পরেও গ্রাম ছাড়েনি হাতির পাল।

হাতি তাড়াতে গিয়ে গুলিতে জখম দাদু-নাতনি, বনকর্মীদের উপরে চড়াও ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী

  • বনকর্মীর হাত ফস্কে বন্দুক মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরে তা তুলতে গেলে আচমকা গুলি ছোটে।

বুনো হাতি তাড়াতে বন দফতরের ছোড়া ছররা গুলি বিঁধে আহত হলেন এক বৃদ্ধ ও তাঁর চার বছর বয়েসি নাতনি। শুক্রবার দুপুরের এই ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা থেকে।

জানা গিযেছে, ধূপগুড়ি ব্লকের বামনটারি গ্রামে এক বনকর্মীর হাত ফস্কে বন্দুক মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরে তা তুলতে গেলে আচমকা গুলি ছোটে। দুর্ঘটনার জেরে গ্রামবাসীর হাতে কয়েক জন বনকর্মী প্রহৃত হয়েছেন বলে অভিযোগ।

গুলি লেগে আহত প্রমোদ মোদক (৬০) ও তাঁর নাতনি লক্ষ্মী মোদককে (৪) প্রথমে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাতে তাঁদের শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। 

দুর্ঘটনার বশেই বনকর্মীর বন্দুক থেকে গুলি ছোটে বলে দাবি করেছেন গোরুমারা বন বিভাগের ডিএফও নিশা গোস্বামী।

অতিরিক্ত মুখ্য প্রধান বনপাল ভি কে সুদ জানিয়েছেন, ‘শিশু ও তার ঠাকুরদাকে উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।’

বন দফতর সূত্রে খবর, শুক্রবার পর্যন্ত বামনটারি ও সংলগ্ন আর এক গ্রামে তাণ্ডব চালানোর পরেও গ্রাম ছাড়েনি হাতির পাল। দলের একটি দাঁতাল বিশেষ করে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ানোয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। হাতির হানায় ইতিমধ্যে নষ্ট হয়েছে প্রচুর পরিমাণে খেতের ফসল এবং বেশ কিছু ঘরবাড়ি। 

হাতি তাড়াতে শুক্রবার সকালে ওই অঞ্চলে পৌঁছান বিন্নাগুড়ি ও নাথুয়া রেঞ্জের বন্যপ্রাণ সুরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। হাতি খেদানো দেখতে ভিড় করেন গ্রামবাসী। তার ফলে কাডে বাধা পান বনকর্মীরা। সেই সময় অসাবধানতাবশত এক বনরক্ষীর বন্দুক থেকে ছররা গুলি ছিটকে এসে দুজনকে জখম করে।

 

বন্ধ করুন