বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ভুয়ো কল সেন্টারে হানা দিয়ে ধৃত ৬
ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ভুয়ো কল সেন্টারে হানা দিয়ে ধৃত ৬:  ছবিটি প্রতীকী (‌সৌজন্য ফেসবুক)‌
ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ভুয়ো কল সেন্টারে হানা দিয়ে ধৃত ৬:  ছবিটি প্রতীকী (‌সৌজন্য ফেসবুক)‌

ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ভুয়ো কল সেন্টারে হানা দিয়ে ধৃত ৬

  • ঘটনাস্থল থেকে ১৭টি মোবাইল, ল্যাপটপ ছাড়াও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা চক্রের ফাঁদ পেতে বসেছিল জালিয়াতরা। ভুয়ো কল সেন্টার খুলে জালিয়াতির কারবার রমরমিয়ে চলছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই ভুয়ো কল সেন্টারে হানা দেয় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ৬ জন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে নোয়াপাড়া থানার পুলিশ। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগরের পিনকলে। ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।এদিন ঘটনাস্থল থেকে ১৭টি মোবাইল, ল্যাপটপ ছাড়াও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা চক্র চলছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম মনোজ সাহানি, ঋষভ চৌধুরী, রাজদীপ দে, কৌশিক হালদার, মনোজকুমার সাহা ও রাজেশ পান্ডে। ধৃত মনোজ সহানি এই প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সোমবার ধৃতদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হলে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ব্যারাকপুর, দমদমের আশেপাশের এলাকাগুলোতে এই জালিয়াতি চক্র সক্রিয় ছিল। এছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও এই চক্র কাজ করছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এই প্রতারণা চক্রের হাতে কে কে প্রতারিত হয়েছেন, সেটা অভিযুক্তদের জেরা করে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

তদন্তে নেমে পুলিশ আরও জানতে পারে, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রথমে গ্রাহকদের ফোন করে প্রলোভন দেওয়া হত। ঋণ মঞ্জুর করার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে আগাম কিছু টাকা চাওয়া হত। এরপর নথিপত্র জমা নিয়ে আরও টাকা দাবি করা হত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। ওই ভুয়ো কল সেন্টার থেকে সমস্ত অপারেশন চালানো হত।

 

বন্ধ করুন