বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ভাঙনে জেরবার ফরাক্কা, নদীগর্ভে ঘরবাড়ি, সেচ দপ্তরকে দুষলেন বিধায়ক
গঙ্গাপারে ভাঙন। ফরাক্কায়। ছবি : সংগৃহীত
গঙ্গাপারে ভাঙন। ফরাক্কায়। ছবি : সংগৃহীত

ভাঙনে জেরবার ফরাক্কা, নদীগর্ভে ঘরবাড়ি, সেচ দপ্তরকে দুষলেন বিধায়ক

  • হোসেনপুর চর এলাকায় ১৭টি বাড়ি গঙ্গায় তলিয়ে গেছে। সেখানকার প্রধান রাস্তাও জলে ডুবে। যে কোনও সময় ভাঙতে পারে এই আশঙ্কায় ৪০টি বাড়ি খালি করা হয়েছে।

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের ভাঙনের জেরে কোণঠাসা ফরাক্কার মানুষ। গত ৩–৪ দিনের বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠেছে গঙ্গার জল। ইতিমধ্যে তলিয়ে গেছে ১৮টি বাড়ি, চাষের জমি ও প্রধান রাস্তা। আতঙ্কে ঘর ছেড়েছে কয়েকশ পরিবার। এ দিকে, রবিবার আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রভাব পড়বে ফরাক্কাতেও। গঙ্গা আরও উত্তাল হলে কী অবস্থা হবে তা ভেবে কূল পাচ্ছেন না এলাকার মানুষ।

এ দিকে, ভাঙনরোধে এমন অব্যবস্থার কথা তুলে ধরে সেচ দপ্তরের বিরুদ্ধেই অভিযোগ এনেছেন ফরাক্কার বিধায়ক মইনুল হক। তিনি বলেন, ‘‌গঙ্গায় ভাঙন প্রতিরোধে যে বোল্ডার বসানো হয় সেই কাজ ঠিকমতো হয়নি। অন্তত ৩৫ মিটার এলাকা জুড়ে বোল্ডার লাগানো উচিত। তার জায়গায় ১০ থেকে ১২ মিটার, খুব বেশি হলে ১৫ মিটার এলাকায় বোল্ডার লাগিয়েছে সেচ দপ্তর। তার ওপর ডবল না করে সিঙ্গেল লেয়ার পিচিং করা হয়েছে। এভাবে তো ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।’‌

শুক্রবার গভীর রাতে ফরাক্কার কুলদিয়ার চর এলাকায় গঙ্গার জলে একটি বাড়ি তলিয়ে যায়। হোসেনপুর চর এলাকায় ১৭টি বাড়ি গঙ্গায় তলিয়ে গেছে। সেখানকার প্রধান রাস্তাও জলে ডুবে। যে কোনও সময় ভাঙতে পারে এই আশঙ্কায় ৪০টি বাড়ি খালি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া একটি স্কুলবাড়ি ও দেড় কাঠা জমির মধ্যে কোনওমতে ত্রিপল টাঙিয়ে র‌য়েছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় প্রণব মণ্ডলের অভিযোগ, ‘‌৫–৭ দিন ধরে ভাঙন অব্যাহত। সরকারের কোনও সাহায্য আমরা পাচ্ছি না। ফরাক্কা ব্যারেজের তরফ থেকে এখনও ভাঙনরোধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’‌

বন্ধ করুন