বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‌নিরাপদ নয় ব্যাঙ্কের লকারও, বর্ধমানে উধাও প্রায় ৭০ ভরি গয়না, চুপ কর্তৃপক্ষ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

‌নিরাপদ নয় ব্যাঙ্কের লকারও, বর্ধমানে উধাও প্রায় ৭০ ভরি গয়না, চুপ কর্তৃপক্ষ

  • প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার গয়না গায়েব হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ব্যাঙ্কের সিসি টিভি ফুটেজ।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই কয়েকদিনের ব্যবধানে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক ব্যাঙ্কের লকার থেকে উধাও হয়ে যায় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। এবার সেই স্মৃতি উস্কে দিল শহর বর্ধমানের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ঘটনা। অভিযোগ, ব্যাঙ্কের ওই শাখা থেকে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার গয়না গায়েব হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ব্যাঙ্কের সিসি টিভি ফুটেজ।

অভিযোগকারী গ্রাহক পবিত্র সামন্তর দাবি, ‘‌ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বাদামতলা শাখায় প্রায় ৪০ বছর আগে ভাড়া নেওয়া ওই লকারে পরিবারের প্রায় ৬০–৭০ ভরি গয়না গচ্ছিত ছিল। লকারটি শেষবার ব্যবহার করা হয় ২০১৮ সালের অক্টোবরে।’‌ বৃহস্পতিবার হঠাৎ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ডেকে পাঠান পবিত্রবাবুকে। তিনি দ্রুত ব্যাঙ্কে এসে দেখেন, লকার ভাঙা, খোওয়া গিয়েছে সব গয়না। পবিত্রবাবু বলেন, ‘‌আমি ব্যাঙ্কে এসে দেখলাম লকার খোলা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। লকারে যাবতীয় যা ছিল তার কিছুই আর নেই। ওতে আমাদের পারিবারিক ৬০–৭০ ভরি গয়না ছিল। যা পুরোপুরি খোওয়া গিয়েছে।’‌ এ ব্যাপারে ব্যাঙ্ক থেকেও তিনি কোনও সদুত্তর পাননি বলে অভিযোগ।

এ ব্যাপারে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া না পেয়ে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পবিত্র সামন্ত। পুলিশ তদন্তে করে দেখেছে, ওই লকারে যে লক বা তালা রয়েছে সেটি গায়ের জোরে খোলা হয়েছে যা পরে লাগানো যায়নি। তাই খোলা অবস্থায় রাখা ছিল লকারটি। এদিকে, এই ঘটনার নেপথ্যে ব্যাঙ্ক কর্মীদেরই একাংশ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার ও কর্মীদের।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক ব্যাঙ্কের লকার থেকে উধাও হয়ে যায় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। প্রথম ঘটনাটি ঘটে হেয়ার স্ট্রিটে। তার পর চিৎপুর। শেষে গড়িয়াহাটে ঘটে একই ঘটনা। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে পরপর ঘটনাগুলি ঘটেছিল।

বন্ধ করুন