বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মরচে ধরেছে গুরুংপন্থী মোর্চায়, পাহাড়ে ফের হাসছে তৃণমূল
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

মরচে ধরেছে গুরুংপন্থী মোর্চায়, পাহাড়ে ফের হাসছে তৃণমূল

  • শান্তা ছেত্রী দাবি করেন, শুধু এই ৫০ পরিবারই নয়, আরও পাহাড়বাসী বিভিন্ন দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছেন। তাঁদের ধীরে ধীরে দলে আনা হবে বলে জানান তিনি।

পাহাড় হাসছে আর পাহাড়ে হাসছে তৃণমূল। ফের ভাঙন বিমল গুরুং শিবিরে। বৃহস্পতিবার গুরুংপন্থী মোর্চা ছেড়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলে নাম লেখাল প্রায় ৫০টি পরিবার। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সক্রিয় নেতাকর্মী। এদিন শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে রাজ্যসভার সাংসদ শান্তা ছেত্রীর হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন তাঁরা।

তাঁদের দলে স্বাগত জানিয়ে শান্তাদেবী বলেন, সারা রাজ্য জুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে তাতে সামিল হতেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন ওই পরিবারগুলি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ৪০ সমষ্টির সাধারণ সম্পাদক পালদেন ভুটিয়া, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ২–এর এক্সিকিউটিভ বডির সদস্য উজিতা গুরুং–সহ কালিম্পংয়ের গুরুংপন্থী ৩৬ সমষ্টির সিট ফার্মের কমপক্ষে ৫০টি পরিবার। এদের কারও নাম পুলিশের খাতায় নেই। কোনও মামলা চলছে না এদের বিরুদ্ধে।

এদিন শান্তা ছেত্রী দাবি করেন, শুধু এই ৫০ পরিবারই নয়, আরও পাহাড়বাসী বিভিন্ন দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছেন। তাঁদের ধীরে ধীরে দলে আনা হবে বলে জানান তিনি। এদিনেই অনুষ্ঠানে ছিলেন দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রঞ্জন সরকার, মদন ভট্টাচার্য প্রমুখ।

বন্ধ করুন