বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Rape Student: দিঘায় নিয়ে গিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ওড়িশা থেকে গ্রেফতার প্রধানশিক্ষক
ছাত্রীকে দিঘায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে।

Rape Student: দিঘায় নিয়ে গিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ওড়িশা থেকে গ্রেফতার প্রধানশিক্ষক

  • পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রধান শিক্ষক গোরাচাঁদ দাস চম্পট দেন। এই অভিযোগ পেয়েই তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার মাঝরাতে ওড়িশার একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪, ৩৫৪(এ), ৫০৬ এবং পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে দিঘায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে। সেখানে লাগাতার যৌন হেনস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যেতেই পালিয়ে যান ওই শিক্ষক। তাঁকে ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর থানার অন্তর্গত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ কী তথ্য পেয়েছে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনার পর গ্রেফতার হওয়া থেকে বাঁচতে পালিয়েছিলেন ভিন্‌ রাজ্যে। কিন্তু পুলিশের পাতা ফাঁদেই গ্রেফতার হলেন ছাত্রী ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রধানশিক্ষক। স্কুলেরই এক দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কয়েকটি সমস্যা নিয়ে প্রধানশিক্ষকের কাছে যায়। ওই ছাত্রীর কাছাকাছি আসার চেষ্টা করতেন এই প্রধানশিক্ষক। কিছুদিন পর ছাত্রীকে দিঘার হোটেলে নিয়ে যান ওই প্রধানশিক্ষক। সেখানে নিয়ে গিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

ঠিক কী অভিযোগ ছাত্রীর পরিবারের?‌ নির্যাতিতা ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, প্রথমে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করতে ছাত্রীকে নতুন জামাকাপড় এবং হাতখরচ দেওয়ার প্রস্তাব দেন ওই প্রধানশিক্ষক। লেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে হোটেলের ঘরে ধর্ষণ করা হয়। এমনকী যা ঘটেছে সেটা বাড়িতে জানালে পরীক্ষায় ছাত্রীকে অকৃতকার্য করা হবে বলে হুমকি দেন ওই প্রধানশিক্ষক। কিন্তু এই ঘটনার কথা বাড়িতে ফিরে এসে জানিয়ে দেয় নির্যাতিতা ছাত্রী। তারপরই এগরা–বাজকুল রাজ্য সড়কে বসে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।

তারপর ঠিক কী ঘটেছে?‌ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রধান শিক্ষক গোরাচাঁদ দাস চম্পট দেন। এই অভিযোগ পেয়েই তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার মাঝরাতে ওড়িশার একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪, ৩৫৪(এ), ৫০৬ এবং পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এই গ্রেফতারের খবরে খুশি নির্যাতিতার পরিবার। তবে প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক সাজা চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

বন্ধ করুন