বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আট মাসের অন্তসত্ত্বা বধূকে ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ
হাসপাতালের সামনে বিলাপ করছেন মৃত বধূর বাপের বাড়ির লোকজন।
হাসপাতালের সামনে বিলাপ করছেন মৃত বধূর বাপের বাড়ির লোকজন।

আট মাসের অন্তসত্ত্বা বধূকে ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ

  • মৃতের বাবা জানিয়েছেন, ১ বছর আগে পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম থানার কাটারি গ্রামের বীণা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বীরভূমের পাড়ুই থানার কেন্দ্রডাঙ্গাল গ্রামের গোফুর শেখের৷ ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল ওই গৃহবধূ।

তিন তলার ছাদ থেকে অন্তঃসত্ত্বা বধূকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরে গুরুতর জখম ওই বধূকে বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন৷ কিছুক্ষণ পর মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত বধূর পরিবারের সদস্যরা।

মৃতের বাবা জানিয়েছেন, ১ বছর আগে পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম থানার কাটারি গ্রামের বীণা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বীরভূমের পাড়ুই থানার কেন্দ্রডাঙ্গাল গ্রামের গোফুর শেখের৷ ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল ওই গৃহবধূ। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই লাগাতার অশান্তি চলছিল দম্পতির মধ্যে। গর্ভবতী হওয়ায় বেশ কিছুদিন বাপের বাড়িতে ছিল সে। সম্প্রতি তাঁকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে আসেন বাপের বাড়ির লোকজন।

শনিবার সকালে বাপের বাড়ির লোকজন জানতে পারেন বীনা সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছেন। বোলপুর হাসপাতালে গিয়ে মেয়ের মৃতদেহ দেখতে পান তাঁরা। তাঁদের দাবি, প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তিন তলা বাড়ির ছাদ থেকে বধূকে ঠেলে ফেলে খুন করেছে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এর পর তাঁকে বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায় স্বামী ও অন্যান্যরা। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানেই মৃত্যু হয় বধূর।

তিন তলার ছাদ থেকে অন্তঃসত্ত্বা বধূকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরে গুরুতর জখম ওই বধূকে বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন৷ কিছুক্ষণ পর মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত বধূর পরিবারের সদস্যরা।

মৃতের বাবা জানিয়েছেন, ১ বছর আগে পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম থানার কাটারি গ্রামের বীণা খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বীরভূমের পাড়ুই থানার কেন্দ্রডাঙ্গাল গ্রামের গোফুর শেখের৷ ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল ওই গৃহবধূ। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই লাগাতার অশান্তি চলছিল দম্পতির মধ্যে। গর্ভবতী হওয়ায় বেশ কিছুদিন বাপের বাড়িতে ছিল সে। সম্প্রতি তাঁকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে আসেন বাপের বাড়ির লোকজন।

শনিবার সকালে বাপের বাড়ির লোকজন জানতে পারেন বীনা সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছেন। বোলপুর হাসপাতালে গিয়ে মেয়ের মৃতদেহ দেখতে পান তাঁরা। তাঁদের দাবি, প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তিন তলা বাড়ির ছাদ থেকে বধূকে ঠেলে ফেলে খুন করেছে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। এর পর তাঁকে বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায় স্বামী ও অন্যান্যরা। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানেই মৃত্যু হয় বধূর।

|#+|

এই ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতের বাবা। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

বন্ধ করুন