বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Paschim Medinipur: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর, সন্দেহে ৮ বছরের ছেলের সামনেই খুন করল স্বামী

Paschim Medinipur: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর, সন্দেহে ৮ বছরের ছেলের সামনেই খুন করল স্বামী

স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ। (প্রতীকী ছবি)

অভিযুক্তের নাম কালিপদ বারিক। নিহত মঞ্জু বারিকের সঙ্গে তার বৈবাহিক সম্পর্ক ৯ বছরেরও বেশি। তাদের ৮ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই তাদের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। বুধবার রাতেও তাদের মধ্যে বচসা হয়। কালিপদর ধারণা ছিল বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে মঞ্জুর। 

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর। সেই সন্দেহে ৮ বছরের সন্তানের সামনে স্ত্রীর গলার নলি কেটে খুন করল স্বামী। এমনই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানা এলাকার গহিরাগ্রামে ঘটেছে। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম কালিপদ বারিক। নিহত মঞ্জু বারিকের সঙ্গে তার বৈবাহিক সম্পর্ক ৯ বছরেরও বেশি। তাদের ৮ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই তাদের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। বুধবার রাতেও তাদের মধ্যে বচসা হয়। কালিপদর ধারণা ছিল বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে মঞ্জুর। অন্য এক যুবকের সঙ্গে নাকি তিনি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। বুধবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। তা চরমে পৌঁছতেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে মঞ্জুর গলায় একের পর এক কোপ মারে কালিপদ। সেই সময় তার আট বছরের সন্তানও ঘরেই ছিল। তার সামনেই মঞ্জুকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পরে ওই বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। ওই নাবালক পুলিশের কাছে সমস্ত ঘটনা জানিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, মঞ্জুর শাশুড়ি বরদা বারিক জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পরে ফিরে এসে দেখেন তার নাতি চিৎকার করে কান্নাকাটি করছে। ঘরের দরজা খুলতেই দেখেন তাঁর বৌমার রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে ঘরের মেঝেতে। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বৌমার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এদিকে, ঘটনার পরে কালিপদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে আজ সকালে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখন বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণেই এই খুনের ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বন্ধ করুন