বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > শুধু পুজো কমিটিকে অনুদান কেন? ভাতার দাবিতে সরব হলেন মৃৎশিল্পী ও মণ্ডপ শিল্পীরা
বেহাল দশা রায়গঞ্জের পটুয়াপাড়ার।
বেহাল দশা রায়গঞ্জের পটুয়াপাড়ার।

শুধু পুজো কমিটিকে অনুদান কেন? ভাতার দাবিতে সরব হলেন মৃৎশিল্পী ও মণ্ডপ শিল্পীরা

  • রায়গঞ্জের কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী ভানু পাল, শংকর পালরা জানিয়েছেন, মৃৎশিল্পীদের সমস্যার কথাটি বিবেচনা করে তাদের সাহায্যের ব্যাপারে উদ্যোগী হোন মুখ্যমন্ত্রী। একই দাবি তুলেছেন মণ্ডপসহ পুজোর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য শিল্পীরাও।

দুর্গাপুজোর সঙ্গে যুক্ত সমস্ত ধরণের শিল্পীদের অনুদান দেওয়ার দাবি উঠল উত্তর দিনাজপুরে। মৃৎশিল্পী ও মণ্ডপশিল্পীদের ভাতা দেওয়ার দাবিকে সমর্থন জানাল বিজেপি। তাদের দাবি, মহামারিকালে দীর্ঘদিন কর্মহারা শিল্পীরা। এই পরিস্থিতিতে ক্লাবগুলির মতো শিল্পীদেরও পাশে থাকা উচিত সরকারের।

গত বছরের মতো এবছরও দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান ঘোষণা করেছে রাজ্য। কিন্তু সেই তিমিরে রয়েছেন মৃৎশিল্পীরা। একে তো মহামারির জন্য কমে গিয়েছে পুজো-আর্চার সংখ্যা। তার ওপরে দুর্গাপুজোয় প্রতিমার বরাত কম। যাও বা বরাত মিলেছে তাতে উদ্যোক্তারা প্রতিমার জন্য বেশি খরচ করতে নারাজ। যার প্রভাব পড়েছে মাটি ও খড় সরবরাহকারীদের ওপরেও। সব মিলিয়ে বেহাল দশা মৃৎশিল্পের।

রায়গঞ্জের কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী ভানু পাল, শংকর পালরা জানিয়েছেন, মৃৎশিল্পীদের সমস্যার কথাটি বিবেচনা করে তাদের সাহায্যের ব্যাপারে উদ্যোগী হোন মুখ্যমন্ত্রী। একই দাবি তুলেছেন মণ্ডপসহ পুজোর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য শিল্পীরাও।

শিল্পীদের এই দাবির সাথে সহমত পোষণ করেছে বিজেপি। বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী অভিযোগ করেন, ‘ভোটের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ক্লাবগুলোকে হাজার হাজার টাকা অনুদান দিয়ে চলেছেন। অথচ মৃৎশিল্পী থেকে পুজোর সাথে যুক্ত অন্যান্য শিল্পীদের কথা কোনওদিনই ভাবেননি’। অবিলম্বে মৃৎশিল্পীদের মাসিক তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার দাবি তুলেছে বিজেপি।

 

বন্ধ করুন