বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বাড়িতে জায়গা নেই, ত্রিপল খাটিয়ে মাঠেই নিভৃতবাসে IIT খড়্গপুরের নিরাপত্তাকর্মী
জায়গা নেই, ত্রিপল খাটিয়ে মাঠেই নিভৃতবাসে IIT খড়্গপুরের নিরাপত্তাকর্মীর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
জায়গা নেই, ত্রিপল খাটিয়ে মাঠেই নিভৃতবাসে IIT খড়্গপুরের নিরাপত্তাকর্মীর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

বাড়িতে জায়গা নেই, ত্রিপল খাটিয়ে মাঠেই নিভৃতবাসে IIT খড়্গপুরের নিরাপত্তাকর্মী

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আটজনের পরিবার। দুই কামরার ঘরে ভালো-মন্দে কোনওরকমে চলে যাচ্ছিল খড়্গপুর আইআইটির নিরাপত্তা কর্মী সঞ্জীব ভট্টাচার্যের। কিন্তু বাদ সেধেছে করোনা। শরীরে করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় এখন পরিবারের সঙ্গ ছেড়ে পাশের মাঠে ত্রিপল খাটিয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। প্রশাসনের তরফে আইসোলেশনে সেন্টারে তাঁর থাকার ব্যবস্থার কথা বলা হলেও এখনও কার্যকর কিছুই হয়নি।

আইআইটি খড়্গপুরে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কাজ করে কোনওরকমে দিন গুজরান করেন সঞ্জীব। সম্প্রতি শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় করোনা পরীক্ষা করান তিনি।করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর রীতিমতো দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সঞ্জীববাবু ও তাঁর পরিবারের লোকেরা। দুই কামরার ঘরে কোথায় তাঁকে আলাদা রাখা যায়, তা নিয়েই চিন্তায় পড়ে যান তাঁরা। শেষপর্যন্ত পাশের মাঠে এক কোণে বাঁশ, ত্রিপল, প্লাস্টিক দিয়ে একটি থাকার আস্তানা বানিয়েছেন তিনি। সেখানেই এখন তিনি থাকছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে পরিবারের সদস্যরা আরও জানিয়েছেন, বিষয়টি পাঁচ কান হওয়ার পর এলাকায় একটি প্রাইমারি স্কুলে আইসোলেশনে রাখার কথা বলা হয়েছে।তবে তা কবে হবে জানি না। সঞ্জীববাবুর স্ত্রী রুপালি ভট্টাচার্য জানান, প্রশাসনিক তরফে কোনও সুবিধাই তাঁদের পরিবারকে দেওয়া হয়নি।এই প্রসঙ্গে অবশ্য প্রশাসনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।

বন্ধ করুন