বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‌কখনো নুপূরের শব্দ, আবার কথনও পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার আওয়াজ, আতঙ্কিত বাসিন্দারা
দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুরে স্বাধীনতার আগে ১৯২০ সালে তৈরি হয়েছিল মিলিটারি ক্যাম্পটি
দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুরে স্বাধীনতার আগে ১৯২০ সালে তৈরি হয়েছিল মিলিটারি ক্যাম্পটি

‌কখনো নুপূরের শব্দ, আবার কথনও পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার আওয়াজ, আতঙ্কিত বাসিন্দারা

আমাবস্যা, পুণিমার রাতে আরও ভয়ঙ্কর আওয়াজ ভেসে আসে ওই বাড়ি থেকে।

রাত হলেই ভেসে আসছে কান্নার আওয়াজ, মাঝে মাঝেই পাওয়া যাচ্ছে নুপূরের শব্দ। কখনও আবার পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার শব্দও ভেসে আশেপাশের বাসিন্দাদের কাছে। কিন্তু দেগঙ্গার পরিত্যক্ত মিলিটারি ক্যাম্পে তো কেউ থাকে না। তাহলে এই সব কাণ্ড ঘটছে কী করে? ভেবে কুলকিনারা পাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুরে স্বাধীনতার আগে ১৯২০ সালে তৈরি হয়েছিল মিলিটারি ক্যাম্পটি। একটা সময়ে ওই ক্যাম্পে থাকত সেনাবাহিনী। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ওই ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর আনাগোনা কমতে থাকে। বহুদিন আগেই সেনাবাহিনী আসা বন্ধই হয়ে যায়। এলাকার বাসিন্দারা জানত, এই বাড়িতে কেউ আসেও না। আর কেউ থাকেও না। দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়া থাকা বাড়িটির জানলা, দরজা ভাঙতে শুরু করে। বাড়িটির বারান্দায় গরুকেও ঘুরে বেড়াতে দেখেলেন এলাকার বাসিন্দারা। জনশূন্য বাড়িতে খড় ভর্তি করে রাখা রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি এই বাড়িটিকে ঘিরে যা ঘটনা ঘটছে, তাতে যথেষ্টই চিন্তিত বাসিন্দারা।

এলাকার বাসিন্দাদের মতে, রাত বাড়লেই নানা রকমের আওয়াজ ভেসে আসছে ওই বাড়িটি থেকে। কখনও চিৎকারের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। আবার কখনও ধান ঝাড়ার শব্দ বা পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার আওয়াজও শোনা যাচ্ছে। আমাবস্যা, পুণিমার রাতে আরও ভয়ঙ্কর আওয়াজ ভেসে আসে ওই বাড়ি থেকে। ভয়ঙ্কর আওয়াজে রীতিমতো ভীত সন্ত্রস্ত এলাকার ছোট মেলেমেয়েরা। তবে এলাকা বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছে, ওই বাড়িটিতে নানারকমের অসামাজিক কাজ চলে। এর আগে পুলিশ হানা দিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে। অসামাজিক চালানোর জন্য পরিকল্পনামাফিক ভূতের আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। বিজ্ঞান মঞ্চেরও ধারনা, ওখানে ভূতের কোনও ব্যাপারই নেই। মানুষকে ভয় দেখানোর জন্যই বিভিন্ন ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

বন্ধ করুন