বন্দিদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ছুটছেন কারারক্ষীরা। শনিবার জলপাইগুড়ি সেন্ট্রাল জেলে
বন্দিদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ছুটছেন কারারক্ষীরা। শনিবার জলপাইগুড়ি সেন্ট্রাল জেলে

মুক্তির দাবিতে জলপাইগুড়ি জেলে বন্দি কারারক্ষী সংঘর্ষ

  • জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় কারাগারে ১,২০০-র কাছাকাছি বন্দি রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৮০ জন বিচারাধীন বন্দি। এদিন মূলত গন্ডগোল পাকায় এরাই।

দমদম সেন্ট্রাল জেলের পর এবার জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার, ফের একবার মুক্তির দাবিতে কয়েদিদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কারাগার। শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান বন্দিরা। তাঁদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও তাদের মুক্তি দিচ্ছে না কারাগার কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ, এদিন সকালে জেলের পুলিশ আবাসন লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করেন কয়েদিরা। এর পর জেলের মেইন গেট অবরোধ করে বসে পড়েন তাঁরা। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন পুলিশ সুপার অভিষেক মোদী। ঘিরে ফেলা হয় গোটা জেল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলের ভিতরে ঢুকতে পারেননি তাঁরা।

জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় কারাগারে ১,২০০-র কাছাকাছি বন্দি রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৮০ জন বিচারাধীন বন্দি। এদিন মূলত গন্ডগোল পাকায় এরাই। জেলের চিফ ডিসিপ্লিন অফিসার অসীম আচার্য জানিয়েছেন, বিচারাধীন কয়েদিরা প্রথমে পুলিশ আবাসন লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। পরে জেলের গেট অবরোধ করে বসে পড়ে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুসারে আমরা এদের জামিনের চেষ্টা চালাচ্ছি। কিন্তু এরা কোনও কথা শুনছে না।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলের মেইন গেটের সামনে মোতায়েন রয়েছে প্রচুর RAF ও পুলিশকর্মী। বলে রাখি, চলতি মাসেই দমদম সেন্ট্রাল জেলে পর পর ২ দিন কয়েদিদের সঙ্গে জেলকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সেই সময় গুলিতে বেশ কয়েকজন কয়েদির মৃত্যুও হয়েছে বলে স্বীকার করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।



বন্ধ করুন