বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কাকার আগেই পতাকা তুললেন ভাইপো, শহিদ দিবসেও রবি-পার্থর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে
কোচবিহারে শহিদ দিবস পালনে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, খোকন মিঁয়া প্রমুখ  (নিজস্ব চিত্র )
কোচবিহারে শহিদ দিবস পালনে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, খোকন মিঁয়া প্রমুখ  (নিজস্ব চিত্র )

কাকার আগেই পতাকা তুললেন ভাইপো, শহিদ দিবসেও রবি-পার্থর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

  • গোটা বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থ প্রতীম রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যে কমিটির কাছে নালিশ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল নেতা খোকন মিঁয়া

 ফের কোচবিহারে প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও তৃণমূলের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতীম রায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। জেলার রাজনীতিতে দুজনে কাকা ভাইপো হিসাবেই পরিচিত। এবার ২১শে জুলাই শহিদ দিবস পালনকে কেন্দ্র করেও দলেরই অন্দরে সেই কাকা-ভাইপোর মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে গিয়েছে। কোচবিহারের তৃণমূল নেতা খোকন মিঁয়া কার্যত সেই চিরাচরিত দ্বন্দ্বকে আরও একবার প্রকাশ্যে আনলেন। তাঁর দাবি পার্থপ্রতীম রায়ের অফিস থেকে জানানো হয়েছিল সকাল ১০টা দলের জেলা কার্যালয়ের সামনে শহিদ দিবসের পতাকা উত্তোলন হবে। সেই মতো দলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, প্রাক্তন বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন প্রমুখকে নিয়ে একসঙ্গে শহিদ দিবস পালনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এমনকী শহিদ দিবসকে সামনে রেখে দলের অন্দরে যাবতীয় মনোমালিন্য দূর করার আশা দেখেছিলেন খোকন মিঁয়া। কিন্তু হয়েছে ঠিক তার উলটো। 

বর্তমানে রবি ঘনিষ্ঠ খোকন মিঁয়া বলেন, ‘পার্থপ্রতীম রায়ের অফিস থেকে ফোন করে বলা হয়েছিল সকাল ১০টায় পার্টি অফিসের সামনে শহিদ দিবস পালন হবে। ২১শে জুলাইয়ের ঘটনার সাক্ষী, আমাদের নেতা রবিদার সঙ্গে আলোচনা করে জেলা সভাপতির সঙ্গেই যৌথভাবে পবিত্র দিনটিকে পালন করা পরিকল্পনা নিই। কিন্তু পার্থপ্রতীম রায় সকাল ৮টাতেই পতাকা তুলে চলে গেলেন। দলটাকে এক জায়গায় নিয়ে আসার যে চেষ্টা করেছি তা পার্থপ্রতীম রায় বাতিল করে দিলেন।’ এব্য়াপারে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ‘যার যেমন রুচি সেই রুচির পরিচয় তিনি দিয়েছেন। এনিয়ে আমার বলার কিছু নেই। তবে এব্যাপারে পার্থপ্রতীম রায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’

 

বন্ধ করুন