বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > চন্দ্রকোণায় PK-র সংস্থার কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

চন্দ্রকোণায় PK-র সংস্থার কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে

  • পার্টি অফিসের ভিতরে ছিলেন পিকের সংস্থার বেশ কয়েকজন কর্মী। অভিযোগ, তাঁদের হেনস্থা করেন বিক্ষোভরত তৃণমূলকর্মীরা। অকথ্য গালিগালাজের পাশাপাশি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হলেন প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা IPAC-এর কর্মীরা। বুধবার চন্দ্রকোণা ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস দফতরে তাদের ওপর হামলা চালান স্থানীয় কিছু তৃণমূলকর্মী। নবনিযুক্ত ব্লক সভাপতিকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁরা। কোনও মতে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার কর্মীদের সেখান থেকে বার করেন দলের ব্লক স্তরের নেতারা। ঘটনাটি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে চন্দ্রকোণা ২ ব্লকের নেতারা। 

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। ওই দিন জগজিৎ সরকার নামে এক ব্যক্তিকে ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘোষণা করেন জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। বুধবার তাঁর অপসারণের দাবিতে চন্দ্রকোণা ২ ব্লক দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন একদল তৃণমূল কর্মী। তাদের দাবি, জগজিৎ সরকার নয়, ব্লক সভাপতি করতে হবে রামকৃষ্ণ রায়কে। 

ওই সময় পার্টি অফিসের ভিতরে ছিলেন পিকের সংস্থার বেশ কয়েকজন কর্মী। অভিযোগ, তাঁদের হেনস্থা করেন বিক্ষোভরত তৃণমূলকর্মীরা। অকথ্য গালিগালাজের পাশাপাশি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত ব্লক তৃণমূল নেতারা তাঁদের আড়াল করে পার্টি অফিস থেকে বার করে গাড়িতে তুলে দেন। 

পিকের সংস্থার কর্মীদের হেনস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অজিত মাইতি। তিনি বলেন, ‘ব্লক সভাপতি কে হবেন তা রাজ্য নেতৃত্ব ঠিক করেন। এতে জেলায় কারও বলার কিছু নেই। এভাবে পিকের সংস্থার সদস্যদের মারধর করা ঠিক হয়নি।’

পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীদের মনে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। এমনকী তৃণমূলের কিছু শীর্ষনেতাও তাদের সঙ্গে কাজ করতে চাইছেন না বলে খবর। যদিও দলীয় শৃঙ্খলার কারণে এখনো তাদের কাউকে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। এর আগে আসানসোল-সহ একাধিক জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার কর্মীরা। 

 

বন্ধ করুন