বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > BJP-র ফাঁদে কেউ যেন পা না দেয়, আলাদা রাজ্য নিয়ে কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টি
শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টির নেতৃত্ব।
শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টির নেতৃত্ব।

BJP-র ফাঁদে কেউ যেন পা না দেয়, আলাদা রাজ্য নিয়ে কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টি

  • তিনি বলেন, ‘আমরা অতুলবাবুর অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার উদ্দেশ্য নিয়েই এগিয়ে যাব কামতাপুরী ভাষার স্বীকৃতি এবং আলাদা রাজ্যের দাবি আমাদের দীর্ঘ বছরের। কারণ উত্তরবঙ্গের মাটির মানুষ সব সময় শোষিত এবং বঞ্চিত হয়েছে।

অতুল রায়ের মৃত্যুর পর কামতাপুর প্রোগ্রেসিভ পার্টির চেয়ারপার্সন হলেন প্রয়াত নেতার স্ত্রী মেনকা রায়। গত বৃহস্পতিবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সহ সভাপতি বুধারু রায় শনিবার শিলিগুড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘কামতাপুর প্রগ্রেসিভ পার্টি সুপ্রিমো অতুল রায়ের মৃত্যুর পর দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁর স্ত্রী মেনোকা রায়কে। গত ৮ জুলাই উত্তরবঙ্গের ৭ জেলা এবং অসমকে নিয়ে ময়নাগুড়িতে কেন্দ্রীয় সম্মেলনে ২৫ জনের নতুন কমিটি গঠন হয়। সেখানেই প্রয়াত অতুল রায় স্ত্রীকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা অতুলবাবুর অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার উদ্দেশ্য নিয়েই এগিয়ে যাব কামতাপুরী ভাষার স্বীকৃতি এবং আলাদা রাজ্যের দাবি আমাদের দীর্ঘ বছরের। কারণ উত্তরবঙ্গের মাটির মানুষ সব সময় শোষিত এবং বঞ্চিত হয়েছে। তবে তৃণমূল সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার কামতাপুরী ভাষা মানুষের জন্য বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করেছে যা আগে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে করা হয়নি।

তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘কামতাপুরী জনগণই প্রথম আলাদা রাজ্যের দাবি তুলেছিল। কিন্তু আমরা এখন দেখছি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিজেপি সরকার এর সাংসদ উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্যের দাবির কথা বলছেন। আমরা দাবির সাথে সহমত হলেও বলতে চাই, বিজেপির পাতা ফাঁদে যেন কেউ পা না দেয়। কারণ লোকসভা নির্বাচনের আগে তারা যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার একটাও উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য পালন করেনি’।

তিনি এদিন বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের মাটির মানুষের ভাবাবেগকে সম্মান জানিয়ে যদি আলাদা রাজ্য হয় তাহলে আমরা মেনে নেব। কিন্তু বিজেপি সাংসদ রাজ্যে আলাদা রাজ্যের দাবি করছে উত্তরবঙ্গকে নিয়ে অন্য নাম দিয়ে আলাদা রাজ্য করার এটা আমরা মেনে নেব না। তাই বিজেপি সরকারের ওপর আস্থা বিশ্বাস না রাখাই ভালো’।

 

বন্ধ করুন