বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আসছে না তেমন ইলিশ, পাতে রুপোলি শস্যের অভাবে মন ভার বাঙালির
আমদানি বন্ধে রুপালি শস্যের যোগানে ভাটা, মন ভার মৎস্য রসিক বাঙালির (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
আমদানি বন্ধে রুপালি শস্যের যোগানে ভাটা, মন ভার মৎস্য রসিক বাঙালির (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

আসছে না তেমন ইলিশ, পাতে রুপোলি শস্যের অভাবে মন ভার বাঙালির

  • এবার বড় আকারের মাছ তেমন নেই।

চারদিক থেকে আমদানি স্তব্ধ হওয়ায় ভাটা পড়েছে ইলিশ মাছের জোগনে। তাই মুষড়ে পড়েছেন মৎস্য রসিক বাঙালিরা। প্রত্যেক বছরই রান্না পুজো ঠিক আগে ইলিশের চাহিদার পারদ চড়তে থাকে। ক্রেতারা ইলিশ মাছ কেনার জন্য বাজারে ভিড় জমান। এমনকী হাওড়ার মতো মাছের পাইকারি বাজারে ভিড় করেন বিক্রেতারাও। বেছে বেছে পছন্দমত মাছ বাজারের ব্যাগে ভরে বাড়িতে নিয়ে যান।

তবে দিঘা, ডায়মন্ড হারবার থেকে ইলিশ মাছ কম আসছে। বাংলাদেশ থেকে এই সময় আসেনি ইলিশ মাছ। তাই বাঙালির পাতে এবার ইলিশ ব্রাত্যই থেকে গিয়েছে। অন্যবারে ইলিশ মাছের সম্ভার থাকলেও এবার সেই তুলনায় খাঁ খাঁ করছে বাজারগুলো। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন হাওড়া মাছ বাজারের ব্যবসায়ীরা। দুর্গা পুজোর আগে ইলিশের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করেছেন তাঁরা।

মাছ বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, এবারে বড় সাইজের মাছ নেই। যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো ছোটো আকারের। ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রামের মাছের দাম কিলোপ্রতি দাম ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। বড় সাইজের মাছের এত দাম যে স্থানীয় বাজারে তা বিক্রি করতে অসুবিধা হচ্ছে। তাতে স্বাদও তেমনও নেই। মায়ানমার থেকে যেটুকু মাছ এসেছিল, সেগুলি আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এ বছর দিঘা, শংকরপুর, কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবার কিংবা বাংলাদেশ থেকে ইলিশ মাছের আমদানি নেই, তাই জোগানেও ভাটা পড়েছে। 

বন্ধ করুন