বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পুজোর আগে গৃহলক্ষ্মীদের মুখে হাসি ফোটালেন মমতা! অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করল টাকা
ফাইল ছবি। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
ফাইল ছবি। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

পুজোর আগে গৃহলক্ষ্মীদের মুখে হাসি ফোটালেন মমতা! অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করল টাকা

  • প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২০ লক্ষ আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প হাসি ফোটাতে শুরু করেছে বাংলার গৃহলক্ষ্মীদের মুখে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২০ লক্ষ আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে ভাণ্ডারের টাকা ঢুকে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ছাড়া আরও বেশ কয়েকটি জেলাতে প্রকল্পের টাকা অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের ফর্ম পূরণ করতে জেলায় জেলায় ভিড় চোখে পড়ে। দুয়ারে সরকারের প্রথম দিনই নাকি ১০ লক্ষ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র জমা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ঘোষণা করেছিলেন, বাড়ির মহিলাদের মাসিক হাত খরচ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার একটি প্রকল্প নিয়ে আসছে। যার নাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। অগস্টে সেই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে নিজের এলাকায় তথা পাড়ায় বসেই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেন মহিলারা।

ভোর রাত থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই প্রকল্পের লাভ নেওয়ার জন্য মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ে সমাজের নানা স্তর থেকে মহিলারা এই প্রকল্পের সুযোগ নেওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বলা হয়, আবেদনকারীদের মধ্যে ঝাড়াই বাছাই করে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে মহিলাদের হাতখরচ দেওয়া হবে।

রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ এবং সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে খবর, ৩০ অক্টোবর রাজ্যের যে চার জেলায় উপনির্বাচন রয়েছে সেখানে এখনই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে অর্থ পাবেন না সাধারণ মানুষ। উপনির্বাচন সম্পন্ন হলে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং কোচবিহারের মহিলারাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতে শুরু করবেন। একসঙ্গে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের টাকা মিলবে নভেম্বরে।

 

বন্ধ করুন